বিজেপি বাংলাকে সম্মান করে না, মহিলাদেরও সম্মান করতে জানে না— এমনই অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের। দলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর প্রকাশ্য জনসভায় বাংলার মহিলা মুখ্যমন্ত্রীকে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করেছেন বলে অভিযোগ তৃণমূলের। সেই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে ঘাসফুল শিবির।
তৃণমূলের দাবি, এই মন্তব্যের জন্য অবিলম্বে ক্ষমা চাইতে হবে বিজেপি সাংসদকে। একই সঙ্গে বিজেপির নারী-বিদ্বেষী সংস্কৃতির দিকেও আঙুল তুলেছে তৃণমূল।
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা ও পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ অপার্থিব ইসলাম (ফাগুন) বলেন, “বিজেপি দলটাই দেশের কাছে একটা লজ্জা! এমন একটা দল, যাদের প্রত্যেকটা নেতা-মন্ত্রীর মুখে নারীবিদ্বেষী কথা, মহিলাদের অসম্মানজনক টিপ্পনী। বাংলার মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর নাম করে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর মঞ্চে দাঁড়িয়ে কুৎসিত মন্তব্য করছেন। এটা নতুন কিছু নয়”। তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে দিলীপ ঘোষ, গিরিরাজ সিং, সুকান্ত মজুমদার— একাধিক বিজেপি নেতা মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেছেন। নারীকে সম্মান দেওয়ার অধ্যায় বিজেপির সিলেবাসেই নেই। অবিলম্বে শান্তনু ঠাকুরকে ক্ষমা চাইতে হবে, নইলে বাংলার মানুষ এমন জবাব দেবে, যা ইতিহাস মনে রাখবে”।
অপার্থিব ইসলামের অভিযোগ, বিজেপির কাছে নারী মানেই কটাক্ষ, অবমাননা ও কুৎসার বস্তু। অতীতে যেমন করেছে, ভবিষ্যতেও তেমনই করবে— কারণ এই দলের চরিত্রই নারী-বিদ্বেষী।








