পূর্ব বর্ধমানের বীরপুর গ্রাম সংলগ্ন ১০৮ মন্দির এলাকা থেকে বরযাত্রী নিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার জয়নগরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল একটি বাস। কিন্তু আনন্দযাত্রা মুহূর্তেই পরিণত হয় আতঙ্কে।
গাংপুরের ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর হঠাৎই ঘটে যায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা। চলন্ত অবস্থায় বাসটির চাকা পাংচার হয়ে যায় বলে জানা গেছে। সেই সময়ই বাসের পিছনের অংশে আগুনের স্ফুলিঙ্গ দেখতে পান চালক। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে তড়িঘড়ি বাস থামিয়ে সমস্ত যাত্রীকে দ্রুত নামিয়ে দেওয়া হয়।
কয়েক মিনিটের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে গোটা বাস। দিনের বেলায় জাতীয় সড়কের উপর জ্বলন্ত বাসের দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা ও পথচলতি মানুষজন।
সৌভাগ্যবশত, এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর নেই। সকল যাত্রী নিরাপদে নেমে আসতে সক্ষম হন।তবে ঘটনাস্থলে দমকল বাহিনীর দেরিতে পৌঁছানো নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, আগুন লাগার অনেকক্ষণ পর দমকলের একটি ইঞ্জিন পৌঁছায় এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে প্রায় সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায় বাসটি।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কীভাবে হঠাৎ পাংচার থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।একটি আনন্দের বরযাত্রা যে মুহূর্তে এমন বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতায় পরিণত হবে, তা ভাবতেই পারছেন না প্রত্যক্ষদর্শীরা।








