মেমারি: পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে অজ্ঞাতপরিচয় এক মহিলার দেহাংশ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য অব্যাহত। ঘটনার তদন্তে বুধবার ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের দল, স্নিফার ডগ স্কোয়াড এবং ডাম্প টিম। দেহের বাকি অংশের সন্ধান ও গুরুত্বপূর্ণ সূত্র সংগ্রহে জোরদার তল্লাশি চালানো হয়। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি-২ ব্লকের কুচুট গ্রাম পঞ্চায়েতের কালেশ্বর ব্যাকপাড়া সংলগ্ন বর্ধমান-কালনা রোডের পাশের জঙ্গল থেকে এক অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার দেহাংশ উদ্ধার হয়। ঘটনাটি সামনে আসতেই এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

বুধবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দুর্গাপুরের আরএফএসএল (RFSL) ফরেন্সিক টিম, স্নিফার ডগ স্কোয়াড এবং ডাম্প টিম। মেমারি থানার পুলিশের উপস্থিতিতে তদন্তকারী দলগুলি ঘটনাস্থল ঘিরে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে এবং দেহের বাকি অংশের সন্ধানে তল্লাশি চালায়। তদন্তকারীরা আশপাশের এলাকা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সম্ভাব্য সব দিক খতিয়ে দেখছেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দেহের অবশিষ্ট অংশের কোনও সন্ধান মেলেনি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার পর এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্কের পাশাপাশি ক্ষোভও ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, এমন পৈশাচিক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
স্থানীয়দের একাংশ পুলিশের তদন্তের তৎপরতারও প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, পুলিশ প্রশাসন যেভাবে গুরুত্ব সহকারে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং অপরাধীদের খোঁজে একাধিক বিশেষজ্ঞ দলকে কাজে লাগিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। এদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ডিএসপি মিজানুর রহমান, সিআই (বি) স্নেহময় চক্রবর্তী, মেমারি থানার ওসি প্রীতম বিশ্বাস, সাতগেছিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই বাণীশঙ্কর সিংহ মহাপাত্র-সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা।








