আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

৭৫ বছর পর পাকা রাস্তা তৈরি হচ্ছে কুলতলির বিধায়কের হাত ধরে গোপালগঞ্জে

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, কুলতলি : কুলতলির বিধায়ক গনেশ চন্দ্র মন্ডলের হাত ধরে উন্নয়নের জোয়ার বইছে সুন্দরবনের কুলতলিতে।অবহেলিত সুন্দরবনে দীর্ঘ ৭৫ বছরের অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে কুলতলির গোপালগঞ্জে। ২.৫ কিলোমিটার পিচের রাস্তার উদ্বোধন। দীর্ঘ ৭৫ বছর পর অবশেষে পিচের রাস্তা পাচ্ছে কুলতলির গোপালগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা।

পথশ্রী প্রকল্পের আওতায় প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে ২.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পিচের রাস্তা।এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনের দাবি পূরণ হওয়ায় খুশির হাওয়া গ্রামজুড়ে।সম্প্রতি এই রাস্তার কাজের উদ্বোধন করেন কুলতলি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক গনেশ চন্দ্র মন্ডল।

তিনি জানান,সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলি বিধানসভায় ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একাধিক এলাকায় রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। তার মধ্যে গোপালগঞ্জের এই দুটি রাস্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এলাকায় ধারাবাহিক উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে বলে ও তিনি দাবি করেন।এই এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, আমার বয়স এখন ৭৫ বছর।

ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি এই রাস্তা সবসময় ডোবা আর জল কাদায় ভরে থাকতো। ভাঙাচোরা অবস্থায় বয়স্ক মানুষ তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের ও চলাচল প্রায় অসম্ভব ছিল। অবশেষে পাকা রাস্তা তৈরি হওয়ায় আমরা সবাই উপকৃত হবো। স্থানীয়দের আশা, রাস্তা তৈরি হলে যাতায়াতের সুবিধা বাড়বে, পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত খুলবে গোপালগঞ্জ এলাকায়।এখন দেখার, নতুন রাস্তা কতটা স্বস্তি ফেরায় সুন্দরবনের এই এলাকাবাসীদের জীবনে।

যত তাড়াতাড়ি এই রাস্তার কাজ শেষ হবে ততটাই উপকৃত হবে এলাকার মানুষ। তাই নতুন রাস্তার কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তিতে এলাকাবাসী। তার পাশাপাশি এই রাস্তায় সাধারণ বাসিন্দারা অনেকটাই অসুবিধা বাঁধা কাটলো।

স্কুল কলেজে যেতে অনেক অসুবিধা হতো ছাত্র-ছাত্রীদের। অসুস্থ রোগীরা রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় অনেকে আরও গুরুতর অসুস্থ হয়ে যেত। তাই রাস্তা পেয়ে খুশি স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা ও।আর এর প্রভাব পড়বে এবারের নির্বাচনে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।

See also  ফের নানুরে তাজা বোমা উদ্ধার

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি