আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

বক্রেশ্বর শক্তিপীঠ – ইতিহাসের সন্ধান

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

বীরভূম :-পশ্চিমবঙ্গের বক্রেশ্বর শক্তিপীঠ বীরভূম জেলার পাপহরা নদীর তীরে অবস্থিত।এটি সিউড়ি শহর থেকে ২৪ কিমি এবং কলকাতা থেকে ২৪০ কিলোমিটার দূরে । মন্দির স্থাপত্য রেখ-দেউলরীতির। মন্দির কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরে মহিশমর্দিনী ও বক্রেশ্ব‌র মন্দির। প্রাক্তন প্রাচীন দেবীর প্রাচীন চিত্রকর্মগুলি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ দ্বারা সুরক্ষিত। দেবী সতীর ভ্রূযুগলের মধ্যবর্তী অংশ বা তার মন এই অঞ্চলে পতিত হয়েছিলেন যখন ভগবান বিষ্ণু, শিব বিহীন দক্ষ যজ্ঞে স্বেচ্ছায় প্রান বিসর্জনকারিনী সতীর দেহ সুদর্শন চক্র দিয়ে খণ্ডিত করেছিলেন।খণ্ডিত অংশগুলি পরে এক একটি মন্দিরে পরিণত হয় ও শক্তিপীঠে পরিণত হয়। দেবী এখানে মহিষমর্দিনী।ভৈরব বক্রনাথ।

কথিত আছে সত্যযুগে লক্ষ্মী ও নারায়ণএর বিয়েতে সুব্রত মুনিকে ইন্দ্র অপমান করেন।রাগে ঋষির দেহ আট বাঁকে বেঁকে যায়। তিনি অষ্টা‌বক্র ঋষি নামে পরিচিত হন। মহামুনি অষ্টাবক্র এখানে শিবের তপস্যা করেন ও পাপহরা নদীতে স্নানের পর পাপমুক্ত হন।তার নামে তাই মহাদেবের নাম এখানে বক্রেশ্বর বা বক্রনাথ।এটি অন্যতম একটি মহাশক্তি পীঠ হিসেবে বিবেচিত।এখানে দেবী মহিষমর্দিনী (মহিষাসুর বধকারী) ও ভৈরব বক্রনাথ বা বক্রেশ্বর।দেবীর পিতলের মূর্তি ও দশভুজা।

See also  বীরভূমের রাজনগরে লকডাউন চলাকালীন কিছু মানুষের সচেতনতার অভাব

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ১৪ বছর ধরে এই পেশায় আছি