দিল্লির ছাত্র আন্দোলনের ঢেউ এসে পড়েছে কলকাতাতেও। তাই তো কলকাতাকে প্রতিবাদের নগরি বলা হয়। শুক্রবার ধর্মতলায় প্রতিবাদী ছাত্র সমাজ অনেকটাই বাড়াবাড়ি করেছে। আর তার জন্য শনিবার বিধানসভায় স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী বললেন,’এমন ব্যবস্থা করব, ৭ পুরুষ মনে রাখবে’। নাগরিক মহল বলছেন, এই ভাষা কোনো মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা হওয়া উচিত না।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গুন্ডাদমন আইনে মামলা রুজু করে শাস্তি। ‘এমন ব্যবস্থা করব, ৭ পুরুষ মনে রাখবে’ বিধানসভায় দাঁড়িয়ে কড়া হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। ইতিমধ্যেই বিশৃঙ্খলার ঘটনায় ‘৭০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যাঁরা কেউ ছাত্র নন, ককরোচ পার্টির সদস্য নন।’ ‘ককরোচ’ সমর্থকদের ভিড়ে মিশে যাওয়া ‘বহিরাগত’দের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান স্পষ্ট করেন শুভেন্দু। প্রশ্ন ফাঁস ইস্যুতে ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে কলকাতায় মিছিল ও জমায়েতের ঘটনায় দায়ের হয়েছে মোট ৭টি এফআইআর।
হেয়ার স্ট্রিট থানায় দায়ের হয়েছে ৬ টি এফআইআর। এন্টালি থানায় দায়ের একটি মামলা। এর মধ্যে পুলিশের স্বতঃপ্রণোদিত মামলাও রয়েছে। এছাড়াও বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে, তার ভিত্তিতে এফআইআর হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, AIDSO, AIDYO, CPI(M-L), DYFI, AISA, PDSF, AFSA, DSF, ISU এবং APDR-সহ একাধিক সংগঠনের নেতৃত্বে কাতারে কাতারে পুলিশের কোনও অনুমতি ছাড়াই ডোরিনা ক্রসিংয়ে জমায়েত করে। এফআইআরে উল্লেখ করা হয়, বিক্ষোভকারীরা পতাকা, ব্যানার ও গাড়ি নিয়ে রাস্তা দখল করতে শুরু করে।
পুলিশের দাবি, জনতাকে উসকানি দিয়ে পুরো ডোরিনা ক্রসিং দখল করার ডাক দেয় বিক্ষোভকারীরা। অভিযোগ, বারবার মাইকিং করে জমায়েতকে বেআইনি ঘোষণা করা হয় এবং শান্তিপূর্ণভাবে স্থান ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা মানা হয়নি। বরং বিক্ষোভকারীরা পালটা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোতল, জুতো, লাঠি ও পাথর ছুড়তে শুরু করেন। ঘটনাস্থলে কর্মরত সাংবাদিকদের হেনস্থা করা হয় শুক্রবারের জমায়েতে। বেশ কয়েকজন পুলিশ ও সাংবাদিক আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন বলেও এফআইআরে উল্লেখ করা হয়েছে।











