উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,ক্যানিং : ক্যানিং এর নদীর চর বুজিয়ে বেআইনি ভাবে ক্যাফে তৈরির অভিযোগ উঠলো এবার তৃনমূলের সওকাত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে।রাজ্যে পালা বদলের পর থেকেই কার্যতCanning উধাও তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লা। কোথাও তাঁকে দেখা যাচ্ছে না।ইতিমধ্যে তার কাছ থেকে সরকারি সিকিউরিটি তুলে নিয়েছে বর্তমান বিজেপি সরকার।এরই মধ্যে শওকত ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে নদীর চর দখলের অভিযোগ উঠেছে।

শুধু তাই নয় ওই চর বুজিয়েই বেআইনিভাবে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল ক্যাফে।আর এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে ক্যানিংয়ে।নদীর চর বুজিয়ে বিশাল ক্যাফে তৈরি করা হয়েছে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্যের কুলে। মৌখালী ব্রিজের কাছে মাতলা নদীর তীরে বিশাল ক্যাফে। ম্যানগ্রোভ অরণ্যের দুই দিকে তাকালেই দেখা যাবে বিশাল এলাকা জুড়ে এই ক্যাফে তৈরি করা হয়েছে। বিশাল এই ক্যাফে তৈরি হয়েছে বিঘার পর বিঘা নদীর চর শুধুমাত্র ভরাট করে। এমনই অভিযোগ উঠছে। শুধু তাই নয়, স্থানীয় বিজেপি নেতাদের দাবি,ক্যাফে নির্মাণই নয়, শওকত মোল্লার অনুগামীরা মৌখালী ব্রিজের আশপাশে কয়েকশো বিঘা নদীর চর মাটি ফেলে ভরাট করেছে। পরবর্তীতে সেই সরকারি জমি কোটি কোটি টাকায় বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে ও অভিযোগ।জানা গিয়েছে, এই ক্যাফের মালিক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লা।
স্থানীয়দের অভিযোগ,বাবা দাপুটে শওকত মোল্লার রাজনৈতিক দাপট এবং ক্ষমতাকে ঢাল করে তাঁর ছেলে ইমরান মোল্লা সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে এই ক্যাফেটি চালাচ্ছেন। এর আগে ইমরান মোল্লার বিরুদ্ধে ডেলিভারি বয়কে হকি স্টিক দিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছিল।মৌখালী ব্রিজের ৫ কিলোমিটারের মধ্যেই রয়েছে ক্যানিং মহকুমা শাসক ও এসডিপিও অফিস। এত কাছে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দফতর থাকার পরেও কীভাবেপ্রশাসনের নাকের ডগায় দিনের পর দিন এই বেআইনি নির্মাণ ও নদী ভরাটের কাজ চললো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা কেউ রেস্তোরাঁ, কেউ বড় বড় লজ করে বসে আছে। আর এটা হয়েছিল প্রশাসনের নাকের ডগায়। প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।আমরা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাবো সরকারের কাছে।









