ঈদের দিনেই রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট করে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রচার শুরু করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। ঠিক সেই সময়েই রেড রোডে ঈদের অনুষ্ঠানে যোগ দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই শীর্ষ নেতার সমান্তরাল কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক তাৎপর্যও বাড়ছে।
শনিবার সকালে শুভেন্দুর আগমনকে ঘিরে কালীঘাট মন্দির চত্বরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। পুজো দেওয়ার পরই ভবানীপুর এলাকায় জনসংযোগে বেরিয়ে পড়েন তিনি। জানা গিয়েছে, এলাকার একাধিক পুরনো বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেন তিনি। দিনশেষে তাঁর নন্দীগ্রামে ফেরার কথাও রয়েছে, যেখানে সমান্তরালভাবে প্রচার চালাচ্ছেন তিনি।
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর ইতিমধ্যেই হাইভোল্টেজ কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে। এই কেন্দ্র তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি, যেখানে প্রার্থী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী করেছে শুভেন্দু অধিকারীকেই। ফলে দুই শীর্ষ নেতার সরাসরি লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে।
উল্লেখ্য, প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই প্রচারে নেমে পড়েছেন শুভেন্দু। তবে চক্রবেড়িয়া এলাকায় প্রচারের সময় তাঁকে ঘিরে ‘গো-ব্যাক’ স্লোগান ওঠে। পাল্টা স্লোগান দেন বিজেপি কর্মীরাও। কিছুক্ষণের জন্য পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলেও পরে তা নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর থানায় গিয়ে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগও তোলেন তিনি।
অন্যদিকে এই লড়াইকে বিশেষ গুরুত্ব না দিয়ে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল শিবির। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ভবানীপুরে তাঁর জয় নিশ্চিত এবং এই কেন্দ্র থেকেই রাজ্যজয়ের বার্তা যাবে।
সব মিলিয়ে, ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক লড়াই ক্রমশ আরও তীব্র হয়ে উঠছে।







