পূর্ব বর্ধমান জেলার বুদবুদ থানার চাকতেঁতুল এলাকায় গলসি বিধানসভার বিধায়ক নেপাল ঘড়ুই -এর বিরুদ্ধে ব্যানার ও পোস্টার পড়াকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুক্রবার সকালে এলাকার বাসিন্দারা দেখতে পান, রাতের অন্ধকারে কে বা কারা বিভিন্ন জায়গায় একাধিক পোস্টার ও ব্যানার টাঙিয়ে দিয়েছে।
পোস্টারগুলিতে লেখা ছিল— “দুর্নীতিগ্রস্ত, তোলাবাজ বিধায়ক নেপাল ঘরুই হটাও, গলসি বিধানসভা বাঁচাও”। এই পোস্টার ঘিরেই এলাকায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। পোস্টারগুলিতে দাবি করা হয়েছে যে এটি তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে, যদিও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর।
বিজেপি মুখপাত্র ডক্টর শান্ত রুপ দে তিনি বলেন, গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তৃণমূলের বিধায়কদের নিয়ে যে অসন্তোষ তারই উদাহরণ গোলসি বিধানসভা। সাধারণ মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রত্যাখ্যান করছে। আগামী নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পিঠ দেওয়ালের ঠেকে গেছে তারই নিদর্শন এটা। শুধু গলসি বিধানসভা বলে নয়, পশ্চিমবাংলায় প্রতিটা বিধানসভায় তৃণমূলের যেই প্রার্থী হোক তিনি হারবেন।
পোস্টার প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা দেব টুডু বলেন, গোটা বাংলার মানুষকে যেইভাবে এসআইআর এর মাধ্যমে হেনস্থা, অত্যাচার চালাচ্ছে বিজেপি সেটা আমরা সবাই জানি।এখন সবাই SIR নিয়ে ব্যস্ত। এই SIR আবহে নির্বাচন হতে চলেছে। এসআইআর এবং নির্বাচন এর প্রাক্কালে কোন দলই হাটে বাজারে নেই। বিজেপিতে দিল্লিতে উঠে চলে গেছে বাংলায় বিজেপি নেই। সিপিআইএম নেই কংগ্রেস নেই। এই সময় যে বা যারা রাতের অন্ধকারে তৃণমূলের নাম করে পোস্টার লাগাচ্ছে একে প্রার্থী চাই, ওকে পারতে চাই বলে, এটা মানুষ করে না। এটা রাতের অন্ধকারের কাজ। আমাদের দলীয় কেউই এই কাজ করতে পারেনা। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস নপুংসকের দল নয়। তাই এই পোস্টার সাঁটানোর কাজটা রাতের অন্ধকারে বিজেপিই করেছে।
এই পোস্টার-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। যদিও কে বা কারা রাতের অন্ধকারে এই পোস্টার লাগিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিধানসভা নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই গলসি বিধানসভা এলাকায় রাজনৈতিক তরজা যে আরও বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য।











