উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, নরেন্দ্রপুর: নরেন্দ্রপুরের অগ্নিকান্ড নিয়ে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়।নরেন্দ্রপুর থানার আনন্দপুরের নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ডে মোমো তৈরির কারখানার মালিককে গ্রেপ্তার-সহ পাঁচ দফা দাবিতে শুক্রবার মিছিল করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মিছিলের শেষে পথসভা থেকে এ দিন মোমো কোম্পানির মালিকের গ্রেপ্তারের দাবি তোলেন তিনি।এ দিন দুপুর পৌনে একটা নাগাদ ঢালাই ব্রিজ থেকে শুরু হয় বিজেপির এই মিছিল।
নরেন্দ্রপুর থানার কিছুটা আগে মিছিল শেষ হয়ে গাড়ির উপরে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। অগ্নিকাণ্ডে এত মানুষের মৃত্যুর পরেও কেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে এলেন না সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, ‘ওই কোম্পানির কর্মীদের কেন গ্রেপ্তার করাহচ্ছে? গঙ্গাধর দাসকে ধরেছেন, খুব ভালো। তেমনই মোমো সংস্থার মালিককেও গ্রেপ্তার করতে হবে।’ এর পাশাপাশি আরও কয়েকটি দাবি তোলা হয় এদিনের মিছিল থেকে।
কী করে দখল হওয়া জলাভূমির উপরে এই ধরনের কারখানা তৈরি হয়েছে, সেই ব্যাপারেও এ দিন প্রশ্ন তোলেন তিনি।বারুইপুর পুলিশ জেলা সূত্রে খবর, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২৫টি দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। অগ্নিকাণ্ডে নিখোঁজদের খুঁজে দিতে হবে এবং মৃতদের পরিবারকে ৫০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ও পরিবারের একজন কে সরকারি চাকরি দেওয়ার দাবি ও করেন এদিন শুভেন্দু অধিকারী।উল্লেখ্য, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যেই মোমো তৈরির কারখানার ম্যানেজার মনোরঞ্জন শিট এবং ডেপুটি ম্যানেজার রাজা চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তাদের এদিন বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। পাশের গোডাউনের ডেকরেটর মালিক, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরির বাসিন্দা গঙ্গাধর দাসকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে।এদিন আনন্দপুরের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল।








