আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

প্রধানমন্ত্রী গ্রাম যোজনা প্রকল্পের নাম বদলে রাস্তা নির্মান কাজের জায়গায় লাগানো হয়েছে বঙ্গের পথশ্রী প্রকল্পের ব্যানার-প্রতিবাদে সরব বিজেপি

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান, ৩ জানুয়ারী: নাম গায়েব! তবে অবশ্য ভোটার তালিকা থেকে নয়।এবার গায়েব করে দেওয়া হলো খোদ সরকারী প্রকল্পের রাস্তার কাজের নাম।নির্মিয়মান প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা প্রকল্পের নাম বদলে দিয়ে রাস্তার কাজের জায়গায় লাগানো হয়েছে বঙ্গের পথশ্রী প্রকল্পের ব্যানার।আর তা নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির সংঘাত এখন চরমে পৌছেচে পূর্ব বর্ধমানের গলসি ২ নম্বর ব্লকের খানো পঞ্চায়েত এলাকায়। ঘটনার প্রতিবাদে ওই রাস্তা নির্মানের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে বিজেপি নেতা ও কর্মীরা। তা নিয়ে হুলস্থুল পড়তেই প্রশাসনের কর্তারা নড়ে চড়ে বসেছে।

গলসির বিজেপি নেতৃত্বের কথায় জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার অর্থে গলসি চৌমাথা থেকে সামরা মোড় পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রাস্তা এখন নির্মিত হচ্ছে।এই রাস্তার নির্মান কাজ শুরুর সময়ে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা প্রকল্পের ব্যানার লাগানো হয়। কিন্তু কিছুদিন পরেই ওই ’ব্যানার’ ঢেকে দিয়ে রাজ্য সরকারের পথশ্রী প্রকল্পের ব্যানার লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ। শুধু তাই নয়,’১৪ কিলোমিটার রাস্তার কাজকে ’২০ হাজার’ কিলোমিটার রাস্তা হিসেবে দেখানোর মতো গুরুতর অভিযোগও বিজেপি নেতারা এনেছেন ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতি ও স্থানীয় পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে।

এমন সব ঘটনার প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন এলাকার বিজেপি নেতা ও কর্মীরা। ঘটনার বিহিত চেয়ে তারা রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেয়েছেন।
বিজেপি নেতাদের অভিযোগ,তাঁরা কাজের ঠিকাদারকে একাধিকবার ফোন করেও তাকে ফোনে পান নি। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার কাজকে পথশ্রী প্রকল্পের কাজ বলে দেখানোর মতো কু-চক্রান্তের মূলে নিশ্চই দূর্নীতি রয়েছে। তাতে বিডিও, গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ও আই-প্যাক টিমও জড়িত বলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি। তবে ঠিকাদার সংস্থার কর্মী জয়দেব ধারা বলেন,আমরা নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছি। কাজ বন্ধের কোনও নোটিস আমাদের দেওয়া হয়নি।

এ নিয়ে এলাকার বিজেপি নেতা সোমনাথ ঘোষাল বলেন, “কেন্দ্রের টাকায় রাস্তা হবে, আর সেখানে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রকল্পের ব্যানার লাগানো হবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা আড়াল করতে তৃণমূল ও আই প্যাক মিলে এইসব করছে“। আর জেলা বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন,’’তৃণমূল ইতিপূর্বে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা কে বাংলার আবাস যোজনা দেখিয়ে নাম কিনতে চেয়েছিল । কিন্তু সফল হয় নি। করে।

See also  রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বৃহস্পতিবার বিধানসভায় স্বোচ্চার হবে বিজেপি বিধায়করা - শুভেন্দু

চাপে শড়ে তাদের ফের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা লিখতে হয়েছে।গলসির রাস্তার ক্ষেত্রেও তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির কর্তাদের একই কাজ করতে হবে বলে মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র দাবি করেছেন।ঘটনা সবিস্তার শুনে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন,“কি হয়েছে খোঁজ নিয়ে দেখছি। তারপর এই বিষয়ে যা বলার বলবো“।

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি