উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,ডায়মন্ডহারবার:- বেঙ্গল এসটিএফ এবং ডায়মন্ডহারবার জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে বাংলা-নেপাল সীমান্ত থেকে ধৃত ফলতার তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানকে মঙ্গলবার ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠালো ডায়মন্ড হারবার এসিজেএম আদালত।

এদিন তাঁকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে আদালতে পেশ করে ফলতা থানার পুলিশ। বিচারক ৫ দিনের হেফাজত মঞ্জুর করেছে। এদিন ডায়মন্ড হারবার ফৌজদারি আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশনের কোনও আইনজীবী জাহাঙ্গিরের হয়ে সওয়াল করতে রাজি হননি।মঙ্গলবার ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস সংক্রান্ত একটি মামলায় জাহাঙ্গিরকে ডায়মন্ড হারবার এসিজেএম আদালতে পেশ করে ফলতা থানার পুলিশ।
কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই এদিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হয়। জাহাঙ্গির খানকে আদালতে আনার সময় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো।তদন্তের স্বার্থে এবং একাধিক গুরুতর মামলার তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে পুলিশ আদালতের কাছে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজত চায়। সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক অভিযুক্তকে ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।
এই বিষয়ে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের নব নির্বাচিত বিধায়ক তথা ডায়মন্ড হারবার এসিজেএম আদালতের আইনজীবী দেবাংশু পান্ডা বলেন, “বিচারক সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বহু গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।” জানা গিয়েছে, জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে বাড়ি লুটপাট, মারধর, সন্ত্রাস, এমনকি খুনের মামলাও রয়েছে স্বঘোষিত ‘পুষ্পা’র বিরুদ্ধে। এছাড়াও ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে ২০২১ সালের একাধিক মামলাতে তাঁর নাম জড়িয়েছে। মঙ্গলবার ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত একটি মামলায় জাহাঙ্গিরকে আদালতে পেশ করে পুলিশ।








