আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

যুব সাথী ও ভূমিহীন অনুদানে জেলায় নজিরবিহীন সাড়া “মুখ্যমন্ত্রীর প্রকল্পে উপকৃত বহু মানুষ”—বিশ্বনাথ রায়

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ঘোষিত একাধিক জনমুখী প্রকল্পে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ব্যাপক সাড়া মিলেছে। বিশেষ করে ‘যুব সাথী’ প্রকল্প এবং ভূমিহীনদের জন্য এককালীন আর্থিক অনুদান কর্মসূচিকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন ব্লক ও পুর এলাকায় নজিরবিহীন ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া চলাকালীন বহু যুবক-যুবতী ও ভূমিহীন পরিবার শিবিরে উপস্থিত হয়ে আবেদন জমা দেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদনপত্র গ্রহণ ও প্রাথমিক যাচাইয়ের জন্য বিশেষ কাউন্টার খোলা হয়। বিডিও অফিস ও সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পগুলিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করা হয় যাতে আবেদনকারীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে না হয়। বহু ক্ষেত্রে সকাল থেকেই লম্বা লাইন দেখা যায়।

পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় বলেন,
“মুখ্যমন্ত্রীর দূরদর্শী ভাবনা থেকেই এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হয়েছে। যুব সাথী প্রকল্প শিক্ষিত বেকার যুবকদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে তাঁদের স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে দেবে। একইভাবে ভূমিহীন পরিবারগুলির জন্য এককালীন অনুদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে—মানুষ এই উদ্যোগের ওপর আস্থা রাখছেন”।
তিনি আরও জানান, জেলার বহু মানুষ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন এবং নতুন প্রকল্পগুলিও দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে আরও অধিক সংখ্যক উপভোক্তাকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে প্রশাসন কাজ করছে।

জেলা প্রশাসনের মতে, সমস্ত আবেদন যাচাই-বাছাই করে যোগ্যদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আর্থিক সহায়তা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
প্রকল্পগুলিকে ঘিরে জেলায় যে সাড়া মিলেছে, তা আগামী দিনে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

See also  বৃদ্ধাশ্রমে থাকা প্রবীণদের জন্য SIR নিয়ে চিন্তিত বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি