বর্ধমান: গত ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি রবীন্দ্রভবন এবং ১ ফেব্রুয়ারি বর্ধমান টাউন হল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হল “তবু আনন্দ জাগে” শীর্ষক বর্ধমান আয়নার বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে কবিতা, নৃত্য-কাব্য আলেখ্য, নাটক, গানসহ নানা বর্ণের অনুষ্ঠান মঞ্চস্থ হয়। ছোট থেকে বড়—প্রায় দু’শোরও বেশি শিল্পীর অংশগ্রহণে প্রেক্ষাগৃহ মুখরিত হয়ে ওঠে।
বিশেষ আকর্ষণ ছিল প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক ঘটক-এর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আয়নার কর্ণধার দেবেশ ঠাকুর রচিত ও অভিনীত নাটক “নীলকণ্ঠ”, যা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়। পাশাপাশি শতবর্ষে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য এবং মহানায়ক উত্তম কুমার-কে আলেখ্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে স্মরণ করা হয়।
বড়দের নাটক হিসেবে মঞ্চস্থ হয় “দেবদাসী” ও “লাবণ্যর শাড়ি”। ছোটদের পরিবেশনায় ছিল “অদ্ভূতুড়ে”। এছাড়াও নাট্যকাব্য আলেখ্য “অরণ্যের অধিকার”, “রাধারানি”, “এতক্ষণে অরিন্দম” এবং কচিকাঁচাদের একক কবিতা আবৃত্তি দর্শকদের বিশেষ প্রশংসা কুড়িয়েছে।
সঙ্গীত পরিবেশন করেন ডাঃ অরবিন্দ কোনার, আয়নার অপর কর্ণধার মণিকা ঠাকুর, আয়নার সঙ্গীত বিভাগের ছাত্রীরা এবং বর্ধমান সাহিত্য পরিষদ। অনুষ্ঠানে আয়নার নিজস্ব সাহিত্য পত্রিকা “শ্রুতিবাক”-এর উৎসব সংখ্যার মোড়ক উন্মোচনও করা হয়।
তিন দিনের এই সাংস্কৃতিক আয়োজনে শিল্প-সাহিত্যপ্রেমী দর্শকদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি প্রমাণ করে দেয়—সংস্কৃতির আলোয় “তবু আনন্দ জাগে”।








