আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

সতর্কবার্তার পরও বেপরোয়া গতি! বর্ধমান–আরামবাগ রাজ্য সড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

পুলিশের বারবার সচেতনতা, সতর্কবার্তা এবং ট্রাফিক নিয়ম মানার অনুরোধ সত্ত্বেও বর্ধমান–আরামবাগ রাজ্য সড়কে এখনও থামছে না বেপরোয়া গতির গাড়ির দৌরাত্ম্য। প্রতিদিন এই ব্যস্ত সড়ক দিয়ে ছোট-বড় অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু অনেক চালকই যেন ভুলে যান—একটু অসাবধানতাই বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

 

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই সড়কে যাতায়াত করে বাস, ট্রাক, পিকআপ ভ্যান, ব্যক্তিগত গাড়ি এবং মোটরবাইক। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে গাড়ির চাপ থাকে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু সেই সময়েও অনেক গাড়ি নিয়ন্ত্রণহীন গতিতে ছুটতে দেখা যায়। ফলে পথচারী, সাইকেল আরোহী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বহুবার দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটলেও অনেক চালকের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট গতিসীমা মানা হয় না। আবার কেউ কেউ ওভারটেক করার সময় ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়ি চালান, যা বড় বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

 

পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার ট্রাফিক সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। চালকদের হেলমেট ব্যবহার, সিটবেল্ট বাঁধা এবং নির্দিষ্ট গতিসীমা মেনে গাড়ি চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। তবুও কিছু অসচেতন চালকের জন্য পরিস্থিতি বারবার উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা অনেকগুণ বেড়ে যায়। তাই শুধু প্রশাসনের উদ্যোগই নয়, চালকদের মধ্যেও দায়িত্ববোধ বাড়ানো জরুরি। কারণ রাস্তা শুধু গাড়ির জন্য নয়, পথচারীদেরও।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বর্ধমান–আরামবাগ রাজ্য সড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে আরও স্পিড ব্রেকার, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হোক। তবেই হয়তো কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসবে বেপরোয়া গতির এই প্রবণতা।
শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা একটাই—কখন বুঝবে মানুষ? একটু ধীর গতি মানেই নিরাপদ জীবন। তাই সবার আগে প্রয়োজন সচেতনতা এবং নিয়ম মেনে চলার মানসিকতা। গাড়ির গতিবেগ নিয়ন্ত্রণে থাকুক, নিরাপদ থাকুক পথের জীবন।

See also  বাংলাদেশকে হারিয়ে ফাইনালে ভারত

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি