আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

যুব সাথী প্রকল্পে রায়না এক ব্লকে উপচে পড়া ভিড়! ইতিমধ্যেই ৫১০০ আবেদনপত্র জমা, গ্রাম পঞ্চায়েতভিত্তিক ক্যাম্পে বাড়ছে উৎসাহ

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

পূর্ব বর্ধমানের রায়না এক ব্লকে যুব সাথী রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পে প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে উপচে পড়া ভিড়। রাজ্য সরকারের যুবকল্যাণমূলক যুব সাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করতে ইতিমধ্যেই ৫১০০টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এলাকাজুড়ে উৎসাহ তুঙ্গে।

ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিদিন নির্দিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতভিত্তিক ক্যাম্প আয়োজন করা হচ্ছে, যাতে কোনও এলাকাবাসী বাদ না পড়েন। বৃহস্পতিবার সেহারা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা সকাল থেকেই ক্যাম্পে হাজির হন। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহের কোনও ঘাটতি ছিল না। বহু যুবক-যুবতী প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে সময় মতো এসে আবেদনপত্র জমা দেন।

ক্যাম্পে আবেদনকারীদের সুবিধার্থে পৃথকভাবে আবেদনপত্র জমার কাউন্টার খোলা হয়। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। গরমের কথা মাথায় রেখে ছাউনির ব্যবস্থাও করা হয়, যাতে লাইনে দাঁড়ানো মানুষজন অসুবিধায় না পড়েন।

শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থাই নয়, স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকটিও গুরুত্ব পেয়েছে। ক্যাম্প প্রাঙ্গণেই একটি মেডিকেল টিম মোতায়েন ছিল। কেউ অসুস্থ বোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা আরও বেড়েছে বলে মত স্থানীয়দের।

রায়না এক ব্লকের ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক জানান, “যুব সাথী প্রকল্প নিয়ে মানুষের আগ্রহ অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত ধরে ধরে পর্যায়ক্রমে ক্যাম্প করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৫১০০ আবেদনপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী দিনেও এই প্রক্রিয়া চলবে, যাতে যোগ্য কেউ বঞ্চিত না হন”।

প্রশাসনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে করা হবে। নির্দিষ্ট যোগ্যতার ভিত্তিতেই সুবিধা প্রদান করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ব্লক প্রশাসনের এই সুসংগঠিত উদ্যোগে সাধারণ মানুষ বিশেষভাবে উপকৃত হচ্ছেন। গ্রামভিত্তিক ক্যাম্পের ফলে দূরে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর ঝক্কিও কমেছে। সব মিলিয়ে যুব সাথী প্রকল্প ঘিরে রায়না একে তৈরি হয়েছে ইতিবাচক সাড়া।

See also  করোনা আতঙ্কে বাংলা নববর্ষ শুরুর দিনে তালাবন্ধ থাকলো বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলার মন্দির

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি