আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

প্লাসটিক ও আবর্জনায় দূষণ ছড়াচ্ছে জয়নগর মজিলপুর পৌর এলাকার মতিলাল গঙ্গায়

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,জয়নগর : খোদ জয়নগর শহরে দূষিত হচ্ছে গঙ্গা।কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানালেন পৌরসভার চেয়ারম্যান।দেড়শত বছর পার করা প্রাচীন জয়নগর মজিলপুর পুরসভা এলাকার মতিলাল গঙ্গায় রোজ ফেলা হচ্ছে আবর্জনা। প্লাস্টিক জমে ছড়াচ্ছে দূষণ। এতে অতিষ্ঠ এলাকার বাসিন্দারা। সংলগ্ন স্কুলের ছাত্রী থেকে শুরু করে শিক্ষিকারাও এই সমস্যায় তিতিবিরক্ত। জয়নগর- মজিলপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের এই চিত্র।

 

এটা আবার পুরসভার চেয়ারম্যানের স্ত্রী লাবণ্যপ্রভা হালদারের ওয়ার্ডও। স্কুলের তরফে ইতিমধ্যেই জয়নগর মজিলপুর পুরসভায় এই ব্যাপারে অভিযোগ করা হয়েছে।এই স্কুলের এক শিক্ষিকা বলেন, আবর্জনার দুর্গন্ধে শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছে ছাত্রীদের।যে ভাবে প্রতিদিন প্রতিনিয়ত এই গঙ্গায় প্লাস্টিক থেকে শুরু করে খাবার ফেলা হচ্ছে, তাতে ক্ষতি হচ্ছে। জল ক্রমাগত কালো হয়ে যাচ্ছে।দূষিত হচছে এই মতিলাল গঙ্গা।জয়নগর মজিলপুরপুরসভা থেকে এবিষয়ে সচেতনতার প্রচার করা হয়েছিল।কিন্তু তারপরে ও কোনও কাজ হয়নি। এই প্রসঙ্গে জয়নগর-মজিলপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সুকুমার হালদার বলেন, কিছু বাসিন্দা ও কিছু ব্যবসায়ী এই কাজ করে চলেছেন।

 

আমরা মাইকিং করে সচেতনতার বার্তাও দিয়েছিলাম। এবারে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই গঙ্গার কাছেই জয়নগর মজিলপুর পৌরসভার আমন্ত্রণ কমপ্লেক্স আছে।আছে জয়নগর ইন্সস্টিটিউট ফর গার্লস উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল। স্কুলে যাওয়া আসার পথে দুর্গন্ধ নিত্যসঙ্গী ছাত্রী থেকে শুরু করে শিক্ষিকাদের। আবর্জনার গন্ধে সাধারণ পথচারীদেরও নাকে রুমাল দিয়ে যেতে হয়। বাসিন্দারা বলেন, অসচেতনতাই এজন্য দায়ী।

 

কিছু বাসিন্দা আর রাস্তার পাশের দোকানদাররা রোজই গঙ্গায় আবর্জনা ফেলছে। পুরসভা কঠোর ব্যবস্থা নিক, এটাই আমরা চাই। এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, গঙ্গা এখন পুকুর হয়ে গিয়েছে। এখানে আগে মানুষ স্নান করতে পারত। এখন পারে না।যেভাবে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে, তাতে শীঘ্র ব্যবস্থা না নিলে বড় বিপদের মুখে পড়তে হবে।আর গঙ্গার দূষণ বন্ধ ও সংস্কারের দাবি তুললো পুরবাসীরা।

See also  বাদাম বাদাম দাদা কাঁচা বাদাম, আমার কাছে নাই গো বুবু ভাজা বাদাম

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি