বিধানসভা নির্বাচনের আগে শাসকদলের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রচারধর্মী ছবি হিসেবে আলোচনায় এসেছে বিধায়ক-পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘লক্ষ্মী এল ঘরে’। মকরসংক্রান্তির সন্ধ্যায় কলকাতার নন্দন-২ প্রেক্ষাগৃহে এই ছবির বিশেষ প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ মহুয়া মৈত্র-সহ দলের একাধিক নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
এই বিশেষ প্রদর্শনীতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী, অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, জয়দীপ মুখোপাধ্যায়, রাজা চন্দ, প্রযোজক নিসপাল সিংহ রানে, রানা সরকার, অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার, সন্দীপ্তা সেন, ভরত কল প্রমুখ। প্রায় এক ঘণ্টা দৈর্ঘ্যের এই ছবিতে তথ্যচিত্রের পরিচিত ধারার বাইরে এসে পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ঘরোয়া গল্পের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন সাধারণ মানুষের জীবন। কীভাবে শাসকদলের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প শহর থেকে শহরতলি হয়ে গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সাধারণ মানুষের সংসারজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে—তারই একটি জীবন্ত চিত্র ফুটে উঠেছে এই ছবিতে।
ছবিটি দেখার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিশেষভাবে মহিলাদের এই ছবি দেখার জন্য আহ্বান জানান। নন্দনে প্রদর্শনের পর পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ‘লক্ষ্মী এল ঘরে’ ছবিটি দেখানো হচ্ছে। বুধবার খণ্ডঘোষ থানার অন্তর্গত গুইর গ্রামে ছবিটির বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মহম্মদ অপার্থিব ইসলাম (ফাগুন), শিক্ষক নেতা বিশ্বনাথ রায়, শিক্ষক নেতা মহম্মদ অনাবিল ইসলাম, কৈয়ড় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শাজাহান মণ্ডল, ব্লক সহ-সভাপতি নীলুফা বেগম-সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে খণ্ডঘোষ ব্লক সভাপতি মহম্মদ অপার্থিব ইসলাম বলেন, “এই ছবি শুধুমাত্র একটি সিনেমা নয়, এটা সাধারণ মানুষের জীবনের বাস্তব চিত্র। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্য সরকার যেভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারসহ একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের স্বাবলম্বী করেছে, সেই কথাই এই ছবির মাধ্যমে মানুষের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে। গ্রামবাংলার মা-বোনেরা যাতে নিজেদের অধিকার ও প্রাপ্তির কথা আরও ভালোভাবে বুঝতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ”।
তিনি আরও বলেন, “শহরের পর এবার গ্রামেও এই ছবি দেখানো হচ্ছে, যাতে উন্নয়নের বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে যায়”। তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের মতে, এই ধরনের প্রদর্শনীর মাধ্যমে সরকারের জনমুখী প্রকল্পগুলির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে আরও স্পষ্টভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।








