আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

রবীন্দ্রস্মরণে আগমনী সাজের বর্ণময়তা

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কলকাতা:- দেবী দুর্গার আগমনীর আবহ এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণস্মরণ—দুই ভিন্ন সাংস্কৃতিক ধারাকে একসূত্রে গেঁথে এক অভিনব আয়োজনের সাক্ষী থাকল শহর। দুর্গাপুজোর আগমনী আবেগের সঙ্গে রবীন্দ্র-ভাবনার মেলবন্ধন ঘটিয়ে মডেলদের উপস্থাপনায় ফুটিয়ে তোলা হল দেবী দুর্গার নানা রূপ ও রবীন্দ্র-সৃষ্টির আবহ। এই বিশেষ ভাবনাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মডেল হিসেবে অংশ নেন সোহিনী ঘোষ, এনাক্ষী মিত্র, শোভিতা রয়, ঋত্বিকা শাউ, কৃতিকা দে, সংযুক্তা চৌবে, স্নেহা মালিক, শ্রেয়া সাঁফুই, অনিন্দিতা মন্ডল, সুলগ্না অধিকারী, মাম্পি অধ্যায়, অঙ্গনা নস্কর ও সুস্মিতা সিকদার।

তাঁদের সাজ, পোশাক ও উপস্থাপনায় কখনও ধরা পড়ে দেবী দুর্গার ঐতিহ্যবাহী রূপ, আবার কখনও রবীন্দ্রনাথের শিল্পভাবনা ও স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধার প্রকাশ। অনুষ্ঠানের প্রসাধনী শিল্পীরা ছিলেন অনিসা খাতুন, শ্রাবনী মান্না, পৌলমী বোস, পৌলমী সাহা, অর্পিতা পাল, অর্পিতা মুখার্জী, অমৃতা চৌহান, তনুশ্রী মণ্ডল, অনামিকা দাস, সানিয়া সিনহা, প্রীতি রয় দাস ও নবমিতা ঘোষ। এমন একটি অনন্য ধারা শুটের পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন তনুশ্রী মেক-ওভারের কর্ণধার তনুশ্রী মণ্ডল। চিত্রগ্রহণের দায়িত্বে ছিলেন দীপা বর্মন। পোশাক পরিবেশন ছিলেন দেবজিৎ দে ও বিদিশা বসু।

অনুষ্ঠানের অতিথি ছিলেন জয়ন্ত দাশগুপ্ত। আয়োজকদের বক্তব্য অনুযায়ী, আগমনী ও রবীন্দ্রস্মরণকে একই মঞ্চে তুলে ধরার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাঙালির দুই গভীর আবেগ—শারদীয় উৎসব এবং রবীন্দ্র-ঐতিহ্য—কে সৃজনশীলতার মাধ্যমে একত্র করা। ফলে এই আয়োজন হয়ে উঠেছে দেবী আরাধনা, শিল্প ও রবীন্দ্রভাবনার এক অনন্য সাংস্কৃতিক সংমিশ্রণ।

See also  তারকেশ্বর গাজন মেলার ইতিহাস

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ১৪ বছর ধরে এই পেশায় আছি