উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, বাসন্তী : বাসন্তীতে বিজেপির প্রচারকে ঘিরে চাঞ্চল্য,আক্রান্ত ৮ জন পুলিশ কর্মী।অভিযোগের তীর তৃনমূল কংগ্রেসের দিকে।অভিযোগ অস্বীকার তৃনমূলের।বিজেপির প্রচারকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার বাসন্তী। অভিযোগ, বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দারের প্রচার চলাকালীন সেখানে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা করে।
খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে প্রচারে বাধা দিলে অশান্তি চরমে ওঠে। এরপরই নতুন করে আক্রমণ পালটা আক্রমণে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল ও বিজেপির কর্মীরা। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে গিয়ে জখম হন ৮জন পুলিশ কর্মী। যদি ও এর সঙ্গে তাঁদের যোগ নেই বলেই দাবি তৃণমূলের।স্থানীয় তৃনমূল নেতাদের কথায়, বিজেপির বিরুদ্ধে জনরোষ তৈরি হয়েছে।
এর সাথে তৃনমূল কোনো ভাবেই জড়িত নয়।বৃহস্পতিবার সকালে বাসন্তী বাজারে প্রচারে গিয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা গিয়ে তাঁদের সঙ্গে অশান্তি শুরু করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।
অভিযোগ, উর্দিধারীরা বিজেপিকে সাফ জানায়, তাঁরা প্রচার করতে পারবেন না। তাতে অশান্তি হতে পারে বলে জানান তাঁরা। এতেই চটে যান বিজেপির নেতা কর্মীরা।তাঁরা সাফ জানান, প্রচার বন্ধ হবে না। এই নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। অভিযোগ, সেই সময় আচমকা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা গিয়ে হামলা চালায় বিজেপির উপর।
দু’পক্ষই একে অপরকে লক্ষ্য করে ছুড়তে থাকে ইট। লাঠি নিয়ে চলে আক্রমণ।আর এই ঘটনাকে কেন্দ্রকরে উত্তাল হয়ে ওঠে বাসন্তী।আর এই পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন ৮ জন পুলিশ কর্মী।
তবে এই সময় কোনওক্রমে ঘটনাস্থল ছেড়ে ভারত সেবাশ্রমে গিয়ে আশ্রয় নেন বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার।আর এই ঘটনাকে ঘিরে উওপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তবে এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি এখনো পর্যন্ত।








