Category: রাজনীতি

  • জিয়াগঞ্জে শিক্ষক খুনের প্রতিবাদে পথ অবরোধ প্রায় দু’ঘণ্টা

    জিয়াগঞ্জে শিক্ষক খুনের প্রতিবাদে পথ অবরোধ প্রায় দু’ঘণ্টা। পথ অবরোধ হল জামালপুরে আঝাপুর মোড়ে। এদিন আজাপুর তিন মাথার মোড়ে আঝাপুর অঞ্চল বিজেপির পক্ষ থেকে দীর্ঘক্ষন পথ অবরোধ করা হয়।  এই পথ অবরোধের মধ্য দিয়ে অবিলম্বে সপরিবারে শিক্ষক খুনে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়। দীর্ঘক্ষণ  পথ অবরোধের জেরে থমকে যায় যানবাহন। সৃষ্টি হয় যানজটের। দু ঘণ্টা অবরোধ চলার পর অবরোধ উঠে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল।

  • লক্ষ্মীপূজো উপলক্ষে ভাতারের বিধায়ক সুভাষ মন্ডলের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলাদের বস্ত্র দান।

    আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট

    পূর্ব বর্ধমান জেলার মাহাচান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের গর্দনমারি গ্রামে লক্ষ্মী পূজা উপলক্ষে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মহিলাদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করলেন ভাতার বিধানসভার বিধায়ক সুভাষ মন্ডল।
    ভাতার বিধানসভার বিধায়ক এর উদ্যোগে খুশি আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন।

    এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভাতার বিধানসভার বিধায়ক সুভাষ মন্ডল পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা পরিষদের সদস্য আনতম হেমরম, মাহাচান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পার্বতী সরেন সহ বিশিষ্ট ব্যক্তি জনেরা।

    প্রায় 300 জন আদিবাসী মহিলাদের কে আজকে বস্ত্র দেয়া হয়।
    ভাতার বিধানসভার বিধায়ক সুভাষ মন্ডল জানান দুর্গাপূজার সময় বিভিন্ন কারণবশত এখানে আসা হয়নি ।তাই লক্ষ্মী পূজা উপলক্ষে এখানের আদিবাসী মহিলাদেরকে বস্ত্র বিতরণ করা হলো।

  • জামিয়াতুল আইম্মার বর্ধমানে প্রকাশ্য সমাবেশে কেন্দ্রের সরকার কে এন আর সি নিয়ে হুসিয়ারি

                                               সফিকুল ইসলাম ( দুলাল)

    জামিয়াতুল আইম্মা অল উলামা ( ইমাম ও উলামা পরিষদ ) – র উদ্যোগে শহর বর্ধমানের নবাবহাটে এক প্রকাশ্যে জনসভা আয়োজন করা হয় ।
    উক্ত সভায় বর্ধমান জেলার সমস্ত ব্লক সহ আসে পাশের জেলা থেকেও মানুষ কাতারে কাতারে এই জন সভায় যোগদান করে । 
    মাথার উপর সূর্যের প্রখর উত্তাপ কে উপেক্ষা করে মানুষ সুশৃঙ্খল ভাবে 4 ঘন্টা  বসে আরো একবার প্রমান দিলেন যে মুসলমান সুশৃঙ্খল জাতি ।
    সংগঠনের পক্ষে রাজ্য সম্পাদক হাফেজ  সেখ সিদ্দিকুল্লাহ সাহেব   12 দফা দাবি রাখেন 
    এবং NRC এর নামে আগামীতে আরো বড়ো আন্দোলনের হুমকি দেন। সিদ্দিকুল্লা সাহেব বলেন কেন্দ্রের শাসক গোষ্ঠী মুসলিম দের    সঙ্গে বি মাতৃ সুলভ আচরণ করছে । মুসলিম দের অধিকার ছি নিয়ে নেওয়া হচ্ছে । মব লিঞ্চিং করে মুসলিম  দের হত্যা করা হচ্ছে । তিনি আরো বলেন এন আর সির  নামে মুসলিম দের কে বিদেশি প্রতিপন্ন  করার চেষ্টা  চলছে । এই সব বন্ধ করার কথা বলেন  না হোলে ব্যাপক আন্দলনের হুসিয়ারি দেন । কোলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী  মুফাখেরুল সাহেব এন আর সি নিয়ে মানুষ কে সচেতন করেন  এবং এর থেকে মানুষ কি ভাবে বাঁচবে তার ব্যক্ষা দেন ।এই  প্রকাশসম্পাপ্রকাশ্য  সভায়  হাজার হাজার মানুষের  উত্সাহের সঙ্গে  যোগদান লক্ষ্য  করা যায় ।ঙ্দ্কল্লাহ সাহেব , সভাটির সঞ্চালক ইজাজ মাহমুদ সাহেব । সভাপতিত্ব  করেন মুফতি ইমদাদুল্লাহ সাহেব , এছাড়া উপস্থিত ছিলেন হাজি আসরফ,
    মনীষা বানর্জ্জী , বর্ধমানের কাউন্সিলর  খোকন দাস সহ জেলা ও রাজ্যের বিশিষ্ট ইমাম ও উলামারা

  • আবারো তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসী ১ নং ব্লকের শিড়রাই গ্রাম

    পূর্ব বর্ধমান:- আবারো তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসী ১ নং ব্লকের শিড়রাই গ্রাম। ঘটনায় গুরুতর জখম একজন। আহত আরও একজন। গ্রামের পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা নাসিরুউদ্দিন মল্লিক এদিন সকাল সাড়ে আটটার সময় বাড়ি থেকে ট্রাক্টর নিয়ে মাঝের পাড়া যাচ্ছিলেন। ট্যাক্টরে ছিল তার চার বছরের শিশু ফরিজউদ্দিক।

     ওই সময় তৃণমূলের কয়েকজন দুস্কৃতী লাঠি টাঁঙি রড বল্লম নিয়ে তার উপর চড়াও হয়। নাসিরুদ্দিনে বাঁচাতে এসে আক্রান্ত হয় পাড়ার ছেলে সেখ হাফিজুল হক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসে। সেখানে নাসিরুদ্দিনের অবস্থার অবনতি হওয়ার জন্য তাকে বর্ধমানে স্থানান্তরিত করা হয়। জখম নাসিরুদ্দিন মল্লিক, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা স্বীকার করলেও মুখে কুলুপ এঁটেছে সেখ হাফিজুল হক। এই বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাননা তৃণমূল নেতৃত্ব।

  • বিজেপি নেতার বাড়ি থেকে তাজা বোমা উদ্ধার,এলাকায় চাঞ্চল্য।

    প্রতিনিধি সেখ আব্বাস আলি
    পূর্ব বর্ধমান:- ভাতাড় মাহাতা 2 নং পঞ্চায়েতের ঝর্ণা আম ডাঙ্গায় বিজেপি বুথ সভাপতি মহানন্দ সরকার বাড়ির পিছনে একটি মাটি হাঁড়ির মধ্যে বেশ কয়েকটি তাজা বোমা পাওয়া যায়,ঘটনা স্থলে ভাতার থানার পুলিশ।
    বাড়ির সদস্যরা জানান বেশকিছুদিন আগে শ্মশানের গাছ কাটা নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন বিজেপি নেতা মহানন্দ সরকার,কার্যত চক্রান্ত করে ফাঁসানোর একটি পরিকল্পনা শাসক দলের। পাশাপাশি এও বলেন তাঁরা কিছুই জানেন না হঠাৎ করেই গ্রামে পুলিশ ঢুকে সরাসরি আমাদের বাড়িতে চলে আসে এবং যেখানে বোমা রাখা হয়েছে সেখানেই,পুলিশ কি করে জানলো ঠিক ওই জায়গায় বোমা রাখা রয়েছে, প্রশ্ন বিজেপি নেতা মহানন্দ এর পরিবারের। আপাতত ভাতার থানার পুলিশ সেখানে মোতায়েন রয়েছে।

  • ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ নিয়ে হাজারো প্রচারের মধ্যেও পুজোর পঞ্চমী থেকে দশমীর রাত পর্যন্ত দুর্ঘটনায় পূর্ব বর্ধমানে মৃত ৬ – জখম ৪ সিভিক ভল্যান্টিয়ার সহ ৩৯ জন

    প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান  ৯  অক্টোবর

    ‘সেফ ড্রাভই সেভ  লাইফ ’ কর্মসূচির থিমে  দুর্গা পুজোর আয়োজনের পাশাপাশি সর্বত্র চলেছিল সচেতনতা প্রচার।কিন্তু এতসবকিছুর
    পরেও পুজোর দিনগুলিতে পূর্ব বর্ধমান জেলায় রোখা গেলনা দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঘটনা ।
    পুজোর পাঁচ দিনে পৃথক পৃথক পথ দুর্ঘটনায়
    মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের । জখম হয়েছে ৩৯ জন
    তারমধ্যে মহানবমীর রাতথেকে দশমীর  রাত পর্যন্ত  পৃথক চারটি  পথ দুর্ঘটনায়  মৃত্যু হয় দুজনের ।দুর্ঘটনা গুলি ঘটেছে জামালপুর , শক্তিগড় ও মেমারির থানা এলাকায় । জখমদের মধ্যে রয়েছে   ৪ জন সিভিক ভল্যান্টিয়ার।  তাদের মধ্যে দুজনের শারীরিক অবস্থা সংকটজনক । পুলিশ দুর্ঘটনা  গুলির  তদন্ত শুরু করেছে ।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে , সোমবার গভীর রাতে টোটোয় চড়ে  বড়শুলের দিকে ঠাকুর দেখতে যাচ্ছিলেন মেমারির ষষ্ঠিপল্লীর ৯ জন বাসিন্দা । টোটো আরোহীরা গভীর রাতে ২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে  যাচ্ছিলেন ।  পথে শক্তিগড় থানার কাঁঁদোসোনা  এলাকায় একটি স্করপিও গাড়ি নিয়ন্ত্রন সামলাতে না পেরে টোটোর  পিছন  ধাক্কা  মারে । তাতে বেসামাল  হয়েগিয়ে দুটি গাড়ি সোজা গিয়ে ধাক্কা খায় রাস্তার পাশের গাছে ।  এই দুর্ঘটনার দিনেই মৃত্যু হয়  লক্ষ্মী মিদ্দা (৪৭)  নামে এক মহিলার ।  চিকিৎসাধীন থাকাকালে পরে মৃত্যু হয় প্রীয়া মিদ্দা (১৯)নামে  টোটো অপর  আরোহীর ।  ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় টোটো ও স্করপিও গাড়ির  ১২ জন  আরোহী  জখম হন  । তাদের কয়েকজনকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বাকিদের  বর্ধমানের অনাময় সুপার স্পেশালিটি  হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ।জখমদের মধ্যে কয়েকজনের  আঘাত গুরুরতর বলে জানাগেছে ।  দুর্ঘটনাগ্রস্থ দুটি গাড়ি পুলিশ  আটক করেছে ।

    এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে  মঙ্গলবার সকালে জামালপুরের নতুনগ্রামে হওয়া দুর্ঘটনায় গুরুতর জখন হন এক বাইক আরোহী । অচৈতন্য অবস্থায়  মেমারি তারকেশ্বর রোডে  উপর পড়েছিল শ্রীকান্ত মাঝি (২৬) নামে ওই  বাইক আরোহী ।  পাশেই পড়েছিল তাঁর ভাঙাচোরা বাইকটি ।  খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ যুবককে উদ্ধার করে  ব্লক হাসপাতালে নিয়েযায়  । যুবকের  শারীরিক অবস্থা  খারাপ থাকায় তাকে স্থানান্তর করা হয়  বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ।  কিভাবে দুুর্ঘটনা ঘটলো তার তদন্ত পুলিশ শুরু  করেছে  । পুলিশ সূত্রে জানাগেছে , দুর্ঘটনায় জখম যুবকের বাড়ি হুগলীর ধনিয়াখালি থানার পূর্ব কেশবপুর এলাকায় । ফের এদিনই দুপুরে  মেমারি তারকেশ্বর  রোডে  জামালপুর থানার  মণিরামবাটি  এলাকায় বাইক   দুর্ঘটনা ঘটে ।  এই দুর্ঘটনায় এক বাইক আরোহীর মৃত্যু হয় ।  জখম হয় একই বাইকের অপর এক আরোহী  ।  পুলিশ সূত্রে জানাগেছে মৃত ব্যক্তির নাম উদয় মালিক (৫৭)। জখম  বছর ৬০ বয়সী ব্যক্তির নাম রঞ্জিত মালিক  ।  তাঁকে  বর্ধমান মেডিকেল  কলেজ ও হাসপাতালে  স্থানান্তর করা হয়েছে ।  পুলিশ সূত্রে জানাগেছে  মৃত ও জখম দুজনেরই বাড়ি  জামালপুরের  দক্ষিনশুড়া গ্রামে ।  মৃতর আত্মীয়  তাপস মালিক  জানিয়েছেন , দুই বন্ধু উদয় ও রঞ্জিত  সোমবার তারকেশ্বরে ঠাকুর দেখতে গায়েছিল  । মঙ্গলবার  দুপুরে বাইকে চড়ে তারা তারকেশ্বর থেকে  নিজেদের  বাড়ি ফিরছিল  । পথে মণিরামবাটি এলাকায়  রাস্তার ধারে  দাঁড়িয়ে থাকা  লরির পেছনে  সজোর ধাক্কা মেরে বসে বাইক আরোহীরা ।  খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছে  রক্তাত অবস্থায় দুই বাইক আরোহীকে উদ্ধার করে  জামালপুর ব্লক হাসপাতালে নিয়েযায়  ।  সেখানে চিকিৎসক উদয় মালিককে মৃত ঘোষনা করেন । আশঙ্কাজনক অবস্থায় রঞ্জিতকে স্থানান্তর করা হয় বর্ধমান  মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে । পুলিশের প্রাথমিক অনুমান বাইক চালাতে চালাতে চালক ঘুমিয়ে যাওয়াতেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে । এই দিনই গভীর রাতে বড়সড় দুর্ঘটনাটি ঘটে ২ নম্বর জাতিয় সড়কে  মেমারির সরডাঙ্গা এলাকায় ।  ট্রাফিক সামলানোর ডিইটিরত  চার সিভিক ভল্যান্টিয়ারকে  সজোরে ধাক্কা  মেরে পালায় একটি চারচাকা গাড়ি । এই ঘটনায়  গুরুতর  জখম হয়েছে  তিন সিভিক ভল্যান্টিয়ার ।  তাদের মধ্যে দুজনের  শারীরিক অবস্থা সংকটজনক থাকায় কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে  স্থানান্তর করা হয়েছে । একজনের চিকিৎসা চলছে বর্ধমানের অনাময় সুপার স্পেশালিটি  হাসপাতালে ।  প্রাথমিক চিকিৎসার পর এক সিভিক ভল্যান্টিয়ারকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ।  পুলিশ সূত্রে জানাগেছে  ,  পুজোয় ট্রাফিক ডিউটি  সামলানোর জন্য মাধবডিহি থানার চার সিভিক  ভল্যান্টিয়ারকে পাঠান হয়েছিল  মেমারি থানায় ।  মঙ্গলবার  গভীর রাতে  তারা
    ২ নম্বর জাতীয় সড়কে মেমারির  সরডাঙ্গা এলাকায় ডিউটি করছিল ।  তখনই তারা দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ।  সিসিটিভি ফুটিজে খতিয়েদেখে পুলিশ কর্তারা জানতে পেরেছেন দ্রুত গতীতে চলা  একটি  গাড়ি  চার সিভিক ভল্যান্টিয়ারকে  ধাক্কা মেরে পালায় ।  বরাত জোরে প্রাণে বাঁচলেও  এই দুর্ঘটনায় চার সিভিক ভল্যান্টিয়ার  জখম হয় । ঘাতক গাড়ির খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ ।

    পুজোর মধ্যে শুধুমাত্র যে  নবমী ও দশমীর দিন  হওয়া দুর্ঘটনায় কারোর মৃত্যু হয়েছে  এমনটা নয় । মহাপঞ্চমীর দিন  পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট ও মন্তেশ্বরে হওয়া পৃথক পথ দুর্ঘটনা ৩ জনের মৃত্যু হয় ।  জখম হন আরো  ১১ জন ।  এরপর  মহাসপ্তমীর দিন  দুপুরে রেষারেষি করে দ্রুতগতীতে যাবার সময়ে রায়না থানার বাঁকুড়া মোড়ের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে গিয়ে উল্টেপড়ে যাত্রীবাহী বাস  । এই দুর্ঘটনায় আহত হন বাসের ৭ যাত্রী ।  দুর্ঘটনা  ঘটে মহাষ্টমীর দিন রাতেও ।  ওইদিন রাতে  হওয়া পৃথক  দুটি মোটরবাইক দুর্ঘটনায়  মৃত্যু হয় এক বাইক আরহী যুবকের  । জখম হন দুই বাইকের আরো তিন আরোহী ।

    জেলা পুলিশ সুপার  ভাস্কর মুখোপাধ্যায়  যদিও জানিয়েছেন ,পুজোর সময়ে বেপরোয়া যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে  পুলিশের তরফে কোন খামতি রাখা হয়নি । ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে  ৮ অক্টোবর পর্যন্ত পথে নেমে পুলিশ একটি বাইকে  ৩ জন চেপে ঘোরা , মদ্যপ অবস্থায় ও বিনা হেলমেটে  বাইক  বাইক চালান সহ ট্রাফিক রুল ভঙ্গের ঘটনায়   ৫৯০ জনকে ফাইন করেছে । ফাইন বাবদ আদায় হয়েকে ১,৬৩,১০০ টাকা । জেলার সর্বত্র ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কর্মীকেও মোতায়েন রাখা হয়েছিল । তার পরেও এই দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে জেলা পুলিশের কর্তারা বলছেন, পুলিশ সচেতন করলেও  জনগন সচেতন হতে না চাওয়াতেই  দুর্ঘটনায় লাগাম টানা দুঃসাধ্য  হয়েউঠেছে ।

  • BJP র ” NRC ” কর্মসূচীকে বিফল করতে কোমর বেধে নামল পাত্রসায়ের ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস ।

    দেবব্রত মন্ডল , বাঁকুড়া

    NRC নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে সেই আতঙ্কের প্রভাব কাটানোর জন্য এদিন পাত্রসায়ের ব্লক তৃণমূল কংরেসের পক্ষ থেকে কুশদ্বীপ গ্রামপঞ্চায়েত তৃণমূল কংরেসের নেতৃত্বে কুশদ্বীপ গ্রামে একটি ৱ্যালি ও পথসভার আয়োজন করা হয় , অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা , ইন্দাসের বিধায়ক গুরুপদ মেটে , পাত্রসায়ের ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি পার্থপ্রতিম সিংহ , পাত্রসায়ের ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস যুব সভাপতি সুব্রত দত্ত , কুশদ্বীপ গ্রামপঞ্চায়েত প্রধান ও উপপ্রধান এবং কুশদ্বীপ গ্রামপঞ্চায়েত তৃণমূল কর্মীসমর্থন ও সাধারণ মানুষেরা |
    আলখাসা গ্রাম থেকে কুশাদ্বীপ গ্রাম প্রর্যন্ত প্রাই 2 কিলোমিটার পথ পায়ে পা মেলান মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা সাথে কুশদ্বীপ গ্রামপঞ্চায়েতের অগণিত মানুষ এবং উপবিষ্ট অতিথিরা পথের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষদের জোর হাত করে NRC নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা |

    তবে আজকের সভায় BJP র কিছু মহিলা মোর্চা মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরার হাত ধরে তৃণমূল শিবিরে যোগদান করেন |

    এদিন সভা থেকে মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা ভাষণে বলেন যতদিন তৃণমূল আছে আমাদের রাজ্যে NRC হবে না , তিনি মোদিকে উদ্দেশ্য করে বলেন মোদী গরিব মানুষের টাকা ছিনিয়ে নিয়েছেন নোট বন্দি করে এবং 235 জন কে হত্যা করেছেন এই নোট বন্দি করে আর আজ NRC চালু  করে পশ্চিমবঙ্গে 9 জন কে শহীদ করে দিয়েছেন আর বাঁকুড়ার শহীদ হয়েছেন তাহের আলী খাঁন , মোদী সরকার কে আরও কটাক্ষ করে বলেন বিজেপি সরকার এসে ভারতবর্ষকে অনেক কিছু উপহার দিয়েছেন সেই উপহার গুলো নিয়ে গলায় মালাকরে বিজেপি নেতারা বলছে জয় শ্রী রাম গ্যাসের 850 টাকা দাম , বলো জয় শ্রী রাম পিয়াজ 80 টাকা দাম , বলো জয় শ্রী রাম প্ৰস্ত 1200 টাকা দাম |
    তিনি আরও বলেন এখনো প্রর্যন্ত কোনো মুখ্যমন্ত্রী বা কোনো প্রধানমন্ত্রী পৃথক ভাবে কন্যাদের জন্য ভাবেনি এক মাত্র বাংলার মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের প্রতিটি কন্যার জন্য এক লক্ষ পাঁচ হাজার টাকা ফিক্সডিপোজিট করে দিয়েছেন |
    বিজেপি শুধু জনগনের জন্য উজলা গ্যাস করেদিয়েছে তাও আবার কয়েক লক্ষ কোটি টাকা কাঠমানি খেয়েছেন যে কারনে মানুষ কে আজ 850 টাকা দিয়ে গ্যাস কিনতে হচ্ছে |

    রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা এদিন আমাদের দের ক্যামেরার সামনে বলেন রাজ্যে এমন কোনো শক্তি নেই যে 2021 শে মমতা বন্দপাধ্যায় কে হারাতে পারে সুতরাং বাংলায় কোনো প্রকার NRC হবে না বাংলার মানুষ যে ভুল লোকসভায় করেছে সেটা মানুষ বুঝতে পেরেছে মানুষ বুঝেছে যে বিজেপি কতখানি ভয়ন্কর কতখানি সন্ত্রাস বাদী কতখানি রক্তপিপাসু দল খাল কেটে মানুষ আর কুমির বাংলায় প্রবেশ করাবে না |
    তিনি আরও বলেন NRC চিন্তা মানুষের মন থেকে দূর করতে আমরা প্রতিটা ব্লক প্রতিটা পঞ্চায়েত এবং প্রতিটা বুথ স্তরে জনসংযোগ করে মানুষ কে বোঝাবো ||

  • সোনামুখী বিধান সভার ধানশিমলা TMC উদ্যোগে ” মহিলা ফুটবল খেলা “কে সামনে রেখে দিদিকে বলো কর্মসূচি পালন করা হলো ।

    আজ মহালয়ার পূর্ণ লগ্নে সোনামুখী ব্লক ধানশিমলা পঞ্চায়েত তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে দিদিকে বল কর্মসূচির অংশ হিসেবে ধানশিমলায় অনুষ্ঠিত হলো মহিলা ফুটবল খেলা । এই খেলায় অংশগ্রহণ করেছিল পুরুলিয়ার কুলডিহা স্টার ক্লাব ও বাঁকুড়ার সারেঙ্গা জঙ্গলমহল । খেলাতে পুরুলিয়ার কুলডিহা স্টার ক্লাব 1-2 গোলে জয় লাভ করে ।

    গত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস কিছুটা হলেও কোণঠাসা হয়ে পড়েছে । তাই ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে তৃণমুল কংগ্রেস । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্য জুড়ে তৃণমূল কংগ্রেস শুরু করেছে দিদিকে বল কর্মসূচি । এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের সাধারণ মানুষকে নিজেদের দিকে আনার কৌশল নিয়েছেন । সাধারণ মানুষের সাড়াও পাচ্ছেন ভালো । গ্রাম থেকে শহরে , সকাল থেকে রাত এক করে ব্লক থেকে রাজ্য স্তরের নেতারা সাধারণ মানুষের দরজায় দরজায় পৌঁছে যাচ্ছেন ।

    ধানশিমলা পঞ্চায়েতে মহিলা ফুটবল খেলা দেখতে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো । সকাল থেকেই যেভাবে বৃষ্টি তৈরি হয়েছিল আজকের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তার পরেও সাধারণ মানুষের উল্লাস কোন অংশে কমেনি । বৃষ্টির মধ্যেই মাথায় ছাতা নিয়ে সাধারণ মানুষ খেলা উপভোগ করেন ।

    আজকের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শ্যামল সাঁতরা , বাঁকুড়া জেলার সভাধিপতি মৃত্যুঞ্জয় মুর্মু , সোনামুখী ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রণব রায় সহ একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব ।

    সোনামুখী ব্লক সভাপতি ইউসুফ মন্ডল এর উদ্যোগে আজকের এই মহিলা ফুটবল খেলা আয়োজিত হয় । এর পাশাপাশি দিদিকে বল কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয় । তবে বৃষ্টির কারণে সেই অর্থে দিদিকে বল কর্মসূচি কিছুটা হলেও ব্যাঘাত ঘটে ।

    শ্যামল সাঁতরা বলেন , আজকের ফুটবল খেলায় শুধুমাত্র ছেলেরা নয় মেয়েরাও বৃষ্টির মধ্যে ছাতা মাথায় নিয়ে খেলাকে উপভোগ করছেন । এছাড়াও তিনি বলেন দিদিকে বল কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষ তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা আমাদের জানাতে পারছেন , এতে তারা উপকৃত হচ্ছেন ।
    সোনামুখী ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি ইউসুফ মণ্ডল বলেন , মহালয়ার পূর্ণ লগ্নে সকল ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মিলনের মধ্য দিয়ে আমরা আজ মহিলা ফুটবল খেলার আয়োজন করেছি । দিদিকে বল কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের সারাও ভালো পাওয়া যাচ্ছে বলে তিনি জানান ।

    প্রিয়া পন্ডিত নামে এক দর্শক বলেন তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে যে মহিলা ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়েছে আমরা তাদের সাধুবাদ জানাই । প্রচুর মানুষ উৎসাহ নিয়ে আজকের খেলা কে উপভোগ করছেন আমরাও এতে দারুণ খুশি ।

  • এনআরসি আতঙ্কে এবার মৃত্যু পূর্ব বর্ধমানে

    প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়  বর্ধমান  ২৭ সেপ্টেম্বর

    এনআরসি আতঙ্কে ইতিমধ্যেই  রাজ্যের বিভিন্ন   জেলায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে । এবার  এনআরসি  আতঙ্কে  মৃত্যু হল  পূর্ব বর্ধমান  জেলার   জামালপুরের এক  বাসিন্দার ।  মৃতর নাম কমল ঘোষ (৫৫)। পেশায় দিনমজুর এই ব্যক্তির  বাড়ি জামালপুর থানার টেঙ্গাবেড়িয়ায় ।  সরকারী নথি জোগাড় নিয়ে দুশ্চিন্তায় অসুস্থ হয়েপড়ে  শুক্রবার  বেলায় কমল ঘোষ  মারাযান বলে পরিবার সদস্যরা  জানিয়েছেন ।পরিবার কর্তার অকাল মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন  পরিজনরা। এই মৃত্যুর ঘটনা জানার  পরেই এনআরসি  সমর্থনকারীদের  বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মৃতর প্রতিবেশীরা ।

    দূর্গাপুজো মেগা সেল ফ্লিপকার্টের, থাকছে আকর্ষনীয় ছাড়

    টেঙ্গাবেড়িয়ার  গয়লা পাড়ায় বসবাস করেন ঘোষ পরিবারের সদস্যরা । মৃতর দাদা ইতল ঘোষ জানিয়েছেন ,পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতায় তাদের  আদি  বাড়ি । কাজের তাগিদে প্রায়  ৬৫-৭০ বছর আগে তাঁর বাবা   ভোলানাথ ঘোষ  টেঙ্গাবেড়িয়ার গয়লাপড়ায় চলে আসেন । এরপরথেকেই তাঁদের পরিবারের সবাই টেঙ্গাবেড়িয়া গ্রামে বসবাস করছেন । ইতল বাবু বলেন , তার ভাই কমল দিনমজুরির কাজ করে সংসার চালাতেন ।  মাটির দুকুটরি  ঘরে বসবাস করে তার ভাইয়ের  পরিবার ।পাশেই বসবাস করেন তিনি । ভাই  কমলের  ছেলে সুমন্ত কলকাতায় শ্রমিকের কাজ করে ।  মেয়ে অপর্ণা  স্থানীয় বিদ্যালয়ে দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ে ।

     ইতল বাবু বলেন তাদের পরিবারের সবার ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড রয়েছে । তা সত্ত্বেও এনআরসি চালু হলে তাদের কিহবে একথা ভেবে তার  ভাই  ব্যাকুল হয়েপড়ে । এনআরসি চালু করে এই রাজ্যের  ২ কোটি  মানুষকে দেশ থেকে তাড়ান হবে এমন হুমকির  কথা শোনার পরথেকে তাঁর ভাই কমলের দুশ্চিন্তা বাড়ে । চিন্তা করেকরে সুস্থ ভাই  অসুস্থ হয়েপড়ে । কেউ আবার ভাইকে বুঝিয়েছিল ১৯৭১ সালের  দলিল জোগাড় করতে হবে । তা নিয়ে কমলের দুশ্চিন্তা আরো বাড়ে যায় । কয়েকদিন ধরেই  কমল তার বসত ভিটের নথিপত্র  খোঁজা শুরু করে । কিন্তু  বসত ভিটের নথির ব্যাপারে  কমলের স্ত্রী সন্ধ্যা কিছুই  জানাতে পারেনা । সেকারণে দুশ্চিন্তায় কমলের শরীর খারপ হতে শুরু করে । সেই দুশ্চিন্তাতেই এদিন  ভাই প্রাণ হারালো । কমল বাবুর মৃত্যুর কারণ হিসাবে একই দাবী করে ছেন তার স্ত্রী সন্ধ্যা ঘোষ ও মেয়ে অপর্ণা ঘোষ ।

    ছবি মৃত ও তার শোকারত পরিবার

    প্রকাশ্যে ধূমপান করলে হতে পারে, আপনার জরিমানা ‘ চালু হল বর্ধমানে ‘


    আপনার পাড়ার পুজো তুলে ধরুন আমাদের মাধ্যমে কৃষক সেতু বাংলা

    যোগাযোগ – 9775728465/9734743074


    কৃষক সেতু বাংলা নিউজ আপডেট পেতে,
    আজই লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ।
    আপনি কি কবিতা , গল্প লেখেন ?
    আমাদের পাঠান ‘ কৃষকসেতু বাংলা ‘ আপনার লেখা প্রকাশিত হবে, আমাদের  পুজো সংখ্যায়
    আপনার লেখা পৌঁছে দেব বাংলার দরবারে Email – [email protected]


  • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের দ্বিশত জন্ম জয়ন্তী বর্ষ উদযাপনে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।

    প্রদীপ কুমার মন্ডল,খণ্ডঘোষ

    ১৮৫৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরচন্দ্র দেবশর্মা বর্ধমান জেলায় ৫ টি মডেল স্কুল তৈরি করে ছিলেন দাঁইহাট,মানকর,জৌগ্রাম, আমোদপুর ও খন্ডঘোষে।খণ্ডঘোষ গ্রামে খণ্ডঘোষ উচ্চ বিদ্যালয়ে তিনি পদার্পন করেন এবং ওনার পদধূলিতে ধন্য হয়েছিল এই স্কুল।তারই স্মৃতি বিজড়িত  খণ্ডঘোষ উচ্চ বিদ্যালয়ে ওনার দ্বিশত জন্ম জয়ন্তী বর্ষ উদযাপন পালন করলো স্কুল পরিচালন কমিটি।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাণী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ,জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া,  জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাদক্ষ নারায়ণ হাজরা,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অসিত কুমার বাগদি,জেলা পরিষদের দুই সদস্য অপার্থিব ইসলাম ও বিশ্বনাথ রায় এবং খণ্ডঘোষ পঞ্চায়েতের প্রধান বাপি সাঁতরা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষিকা ও ছাত্র ছাত্রীদের দ্বারা অনুষ্ঠিত হয়  বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন নারীশিক্ষার ব্যাপারে ও বাল্য বিবাহ রোধ তথা বিধবা বিবাহ চালু করার ব্যাপারে ওনার পদক্ষেপ আজ বাঙালির হৃদয়ে বিরাজমান।উনিই বাংলাভাষার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্বরবর্ণ ও ব্যাঞ্জনবর্ণ প্রথম ভাগ পরে দ্বিতীয় ভাগ রচনা করেছিলেন।

                            এনআরসি আতঙ্কে এবার মৃত্যু পূর্ব বর্ধমানে

     মাইকেল মধুসূদন দত্ত বিদেশে থাকার সময় শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পর আর্থিক অভাবে চিকিৎসা করাতে না পারার কথা শুনে উনি ভালোরকম আর্থিক সাহায্য করেছিলেন।তারই জন্য কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাসাগর মহাশয় কে দানসাগর বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক শুভাশীষ মন্ডল বলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন মন্ত্রী ও উপস্থিত  বিশিষ্ট বাক্তিবর্গরা। স্কুলটি মডেল স্কুল করার সময় খণ্ডঘোষে ওনি এসে একটি নাট মন্দিরে উঠেছিলেন।আমরা স্কুলের পক্ষ থেকে আবেদন জানাই ওই নাট মন্দিরটি যেন হেরিটেজ ঘোষণা করুক সরকার।আর স্কুলের পরিকাঠামোর উপর শিক্ষা দপ্তর কিছু অনুদান করুক যাতে করে একটা লাইব্রেরী ও সাইকেল স্ট্যান্ড করতে পারি।

    স্কুলের মিড ডে মিলের খাবার ছেলেরা যাতে করে একটি হল ঘরে বসে খায় তার জন্যও আবেদন জানাচ্ছি।ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তৈরি স্কুলের সম্মান রাখার জন্য আমরা সবাই বধ্য পরিকর।ওনার মত মহান মানুষের আশীর্বাদ নিয়েই আমরা চলে এসেছি আগামী দিনেও চলব।