143 নম্বর ওয়ার্ড এর দিদি কে বলো অনুষ্ঠান আজ করা হলো ঠাকুরপুকুর কবর ডাঙ্গা তে। 143 নম্বর ওয়ার্ড এর কাউন্সিলার ইন্দ্রজিৎ ভট্টাচার্য্যএর নেতৃত্বে আজ এই অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষ এসে তাদের অসুবিধার কথা কাউন্সিলার কে জানান ।
কাউন্সিলার বলেন অনেক কাজ এখানে বাকি আছে ,অনেক কাজ হয়েছে । মানুষের অসুবিধার কথা শুনেছি চেষ্ঠা করবো যাতে তাড়াতাড়ি দূর করা যায় অসুবিধা। মানুষের জন্য এই অনুষ্ঠান আরো করা হবে এলাকাতে।
Category: রাজনীতি
-
কলকাতাতে চলছে দিদিকে বল কর্মসূচি
-
সরকারি জায়গায় তৃণমূলের পার্টি নির্মান নিয়ে সভাধিপতি ও প্রশাসনের সঙ্গে চরম সংঘাত তৈরি হল খণ্ডঘোষের তৃণমূল নেতৃত্বের
প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ২৭ নভেম্ভরপার্টি অফিসের নির্মান কাজ বন্ধ করেদেওয়া নিয়ে চরমে উঠেছে পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদ সভাধিপতির সঙ্গে খণ্ডঘোষের তৃণমূল নেতৃত্বের সংঘাত । জেলাশাসককে সঙ্গেনিয়ে মঙ্গলবার সভাধিপতি শম্পা ধারা খণ্ডঘোষে তৃণমূলের পার্টি অফিসের নির্মান বন্ধ করিয়েদিয়েছে বলে অভিযোগ তুলে স্বোচ্চার হয় খণ্ডঘোষের তৃণমূল নেতৃত্ব । তারই প্রতিবাদ স্বরুপ মুখে কিছু না বললেও খণ্ডঘোষ থেকে নির্বাচিত জেলাপরিষদ সভাধিপতির বিরুদ্ধেই বিদ্রোহ ঘোষনা করেবসে খণ্ডঘোষেরই সিংহভাগ জনপ্রতিনিধি ।জেলাশাসক বিজয় ভারতী মঙ্গলবার খণ্ডঘোষে প্রশাসনিক সভায় যোগদিলেও তৃণমূলের বিদ্রোহী জনপ্রতিনিধিরা সেই সভায় অনুপস্থিত থাকেন । এই ঘটনার পর ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতে বুধবার বেলায় খণ্ডঘোষে পৌছে ফের ওই পার্টি অফিসের নির্মান কাজ শুরু করালেন সহ সভাধীপতি দেবু টুডু । এই ঘটনা নিয়ে জেলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে ।
জেলা তৃণমূলের কো- অর্ডিনেটর তথা সহ সভাধিপতি দেবু টুডু এদিন বলেন , “সরকারি জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিস তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধি নির্মান কাজ বন্ধকরে দিয়েছিল । রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে এদিন পার্টি অফিস তৈরির কাজ আবার শুরু করা হল । কেউ তৃণমূলের পার্টি অফিস নির্মান কাজ আটকাতে পারবেনা । ” জেলাশাসক বিজয় ভারতী যদিও এদিন বলেন , ‘কোন নির্মান বন্ধ করার জন্য আমি নির্দেশ দিইনি।
প্রশাসন সূত্রে জানাগেছে , মঙ্গলবার খণ্ডঘোষের বিভিন্ন এলাকা ঘোরার সময়ে সভাধিপতি ও জেলাশসক খণ্ডঘোষ প্রথমিক স্বাস্থকেন্দ্রে যান । স্বাস্থকেন্দ্রের এক আধিকারিক তাঁদের কাছে অভিযোগ করেন স্বাস্থকেন্দ্রের জায়গা দখল করে বেআইনি নির্মান হচ্ছে। ওই জায়গা ঘুরে দেখার পর কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসনের শীর্ষ নেতৃত্ব ।
খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তথা জেলাপরিষদ সদস্য অপার্থিব ইসলাম এবিষয়ে বলেন , বিধায়ক নবিনচন্দ্র বাগ এতদিন যে ঘরে বসে পরিষেবা দিতেন সেই ঘরটি বিক্রি হয়েগেছে । বিধায়ক পরিষেবা দেবেন এমন কোন ঘর এখন নেই । তাই রাস্তার ধারে থাকা পিডাব্লুডির জায়গায় ৬০০ বর্গফুটের ঘর তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় । অপার্থিব বাবু দাবি করেন ,রাজ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হাজার হাজার পার্টি অফিস রয়েছে সরকারি জমিতে । তাঁরাই একমাত্র সরকারি জায়গায় তৃণমূলের পার্টি অফিস তৈরি করছেন এমনটা নয় । তাসত্বেও সভাধিপতি ও জেলাশাসক নির্মান কাজ বন্ধ করে দেন । সেই ক্ষোভে খণ্ডঘোষের ১০ টি পঞ্চায়েতের প্রধান , উপপ্রধান ও জনপ্রতিনিধিরা প্রশাসনিক বৈঠকে অনুপস্থিত থেকে প্রতিবাদ জানিয়েছেন । দলের রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে ফের এদিন থেকে নির্মান কাজ শুরু করেদেওয়া হয়েছে । কেউ কাজ আটকাতে পারবে না ।সভাধিপতি অবশ্য এই বিষয়টি নিয়ে এদিন কোন মন্তব্য করতে চাননি ।
ব্লক তৃণমূল সভাপতি এমনটা জানালেও বিরোধীরা অবশ্য বসে নেই । স্বাস্থকেন্দ্রের জায়গা দখল করে তৃণমূলের পার্টি অফিস তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়ে জেলাশাসককে অভিযোগ জানিয়েছে সিপিএম জেলা কমিটির সদস্য বিনোদ ঘোষ । বিজেপির খণ্ডঘোষ ব্লকের পর্যবেক্ষক বিজন ঘোষ বলেন,সরকারি জায়গায় পার্টি অফিস বন্ধ নিয়ে তারা আন্দোলনে নামবেন । -
খণ্ডঘোষে বিজেপির পার্টি অফিস পোড়ানোর অভিযোগ , তৃণমূলের ১৬ কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের
প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ২২ নভেম্বররাতের অন্ধকারে আগুন লাগিয়ে বিজেপির দলীয় কার্যালয় পুড়িয়ে দেবার অভিযোগ উঠলো তৃণমূলের বিরুদ্ধে ।পার্টি অফিসে লাগা আগুন ছড়িয়ে পড়ায় ভস্মিভূত হয়েগেছে পাশের এক বাসিন্দার খামার বাড়িও । এই ঘটনাকে কেন্দ্রকরে শুক্রবার সকাল থেকে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের দুবরাজহাট এলাকায়। তৃণমূল নেতৃত্বের মদতে পার্টি অফিসে আগুন লাগান হয়েছে বলে দাবিকরে এদিনই ১৬ জন তৃণমূল নেতা ও কর্মীর নামে খণ্ডঘোষ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এলাকার বিজেপি নেতা অরুপ ভট্টাচার্য । পুলিশ দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে ।
খণ্ডঘোষের কেশবপুর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি অরুপ ভট্টাচার্য এদিন বলেন , সম্প্রতি রায়নার সেহারাবাজারে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের জনসভা অনুষ্ঠিত হয় । সেই জনসভায় মানুষের ঢল নেমেছিল । খণ্ডঘোষের বহু মানষও ওই জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন । বিজেপির জনসভায় জনজোয়ার দেখে খণ্ডঘোষের তৃণমূলের নেতাদের রাতের ঘুম ছুটেযায় । এরপর থেকেই তৃণমূল নেতৃত্ব পরিকল্পনা করে খণ্ডঘোষে সন্ত্রাস কায়েম করে চলেছে । পরিকল্পনা মাফিক তৃণমূলের লোকজন গত ৪ নভেম্বর রাতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল কেশবপুরের বিজেপি কার্যালয়ে । আগুনে পুড়ে ভস্মিভূত হয়েযায় ওই কার্যালয়টি ।এরপর ফের বৃহস্পতিবার গভির রাতে দুবরাজহাট এলাকায় থাকা মাটির দেওয়াল ও খড়ের চালার বিজেপি কার্যালয়ে আগুন লাগিয়ে দিল তৃণমূলের লোকজন । এখানকার গোটা পার্টি অফিসটিও আগুনে পুড়ে সম্পূর্ণ ভস্মিভূত হয়েগেছে ।
অরুপ বাবু বলেন , আগুন ছড়িয়ে পড়ায় পার্টি অফিস লাগোয়া এক গৃহস্থের খামার বাড়িও পুড়ে ভস্মিভূত হয়েগেছে । ওই গৃহস্থ পরিবারের বধূ সরস্বতী দাস জানিয়েন , তাঁদের খামার বাড়িতে চাষের যন্ত্রপাতি সহ অন্যান যাকিছু ছিল সব আগুনে পুড়ে নষ্ট হয়েগেছে । ক্ষতিপুরণের দাবি করেছেন বধূ সরস্বতী দাস ।আগুন লাগানোর ঘটনায় জড়িত তৃণমূলের লোকজনের বিরুদ্ধে পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর আন্দোলন শুরু হবে বলে বিজেপি নেতা অরুপ ভট্টাচার্য এদিন হুঁশিয়ারী দিয়েছেন ।
খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূল সভাপতি অপার্থিব ইসলাম এদিন বলেন , ‘বিজেপি মিথ্যা আভিযোগ করছে । কোন রাজনৈতিক দলের কার্যালয় পোড়ানোর কালচার তৃণমূলে নেই । আর যে রাজনৈতিক দল দেশটাকে দেউলিয়া করেদিচ্ছে , দেশের মানুষকে দেশছাড়া করতে চাইছে তাদের নিয়ে রাজ্যের মানুষের কোন মাথা ব্যাথাও নেই । তৃণমূলেরও মাথা ব্যাথা নেই । অপার্থিব বাবু পাল্টা দাবি করে বলেন , গোষ্ঠিদন্দে জড়িত বিজেপি নেতারাই এখন একে অপরের দলীয় কার্যালয় পুড়িয়ে দিচ্ছে । আর দোষ চাপাচ্ছে তৃণমূলের নামে । খণ্ডঘোষের মানুষ বিজেপির এইসব অপকর্ম সন্মন্ধে ওয়াকিবহাল রয়েছেন । আগামী দিনে খণ্ডঘোষের মানুষ বিজেপির এই ঘৃণ্য রাজনীতির যোগ্য জবাব দেবে । -
কেবলমাত্র ধর্ম ধর্ম করলে পেট ভরবে না বললেন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বর্ধমানে এসে
প্রতিনিধি বলরাম সাহাপূর্ব বর্ধমান :-দেশের উন্নতিই বড় কথা। সবাইকেই এই উন্নতির জন্য এগিয়ে আসতে হবে। কেবলমাত্র ধর্ম ধর্ম করলে পেট ভরবে না। ধর্ম মন ভরায় কিন্তু পেট ভরায় না। মঙ্গলবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতির উদ্যোগে শারদীয়া, দীপাবলি, ঈদ এবং ছট পুজো উপলক্ষে প্রীতি সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন রাজ্য বিদ্যুৎ দপ্তরের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজবাটি ক্যাম্পাসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন পুর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি দেবু টুডু, তৃণমুল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার তযাফেল মোহাম্মদ,কর্মচারী সমিতির সম্পাদক শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি প্রমুখরা। শোভনদেব বাবু এদিন বলেন, গত ৭ বছরে গোটা বাংলায় পরিকল্পনা খাতে ব্যয় বেড়েছে ৫ গুণ। বাম আমলে বিরাট দেনা মাথায় নিয়েই মমতা বন্দোপাধ্যায় গোটা রাজ্যের উন্নতি ঘটাচ্ছেন। সম্পদ সৃষ্টি ছাড়া কোনো রাজ্যের উন্নতি হতে পারেনা। কিন্তু দেশ এখন বড় বিপদের মুখে। কেন্দ্র সরকারের ভ্রান্ত নীতির জন্য বাড়ছে বেকারী, চাষী আত্মহত্যা করছে, বন্ধ হচ্ছে কলকারখানা। সব থেকে বড় বিপদ নেমে এসেছে নোট বাতিলের ফলে।
অন্যদিকে প্রীতি সম্মেলন অনুষ্ঠানে তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস ও জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি দেবু টুডু, তাদের বক্তব্যে নানান কথা তুলে ধরেন।
অল্প টাকায় বিজ্ঞাপন দেবার জন্য এখানে ক্লিক করুন -
আমাদের অর্থনীতির অঙ্গ দেশী গরু ,দেশী গরুর কুঁজে সোনা থাকে” -জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ
প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ৪ নভেম্বরবর্ধমানে এসে অর্থনীতির এক নতুন তত্বের কথা শোনালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন,‘ দেশী গরুর আমাদের অর্থনীতির অঙ্গ । দেশী গরুর কুঁজে সোনা থাকে । তার ফলেই দেশী গরুর দুধ সোনালী রংয়ের হয় ।’ সোমবার বর্ধমান টাউন হলে ঘোষ এবং গাভী কল্যান সমিতির গোপাষ্টমী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন দিলীপ ঘোষ । তিনি এই অনুষ্ঠান মঞ্চেথেই ,“ বিদেশী গরু ত্যাগ করে দেশী গরুর উপর বিশ্বাস রাখার বার্তা দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি ।” একই সঙ্গে দিলীপ বাবু এদিন সাফ জানিয়েদেন ,‘ ভারতবর্ষের মাটিতে যারা গরুকে অপমান করবে, গরুর মাংস খাবে তাঁদের ওনারা মহা অপরাধী ও সমাজবিরোধী হিসাবেই দেখবেন। ’ । দিলীপ ঘোষের এইসব তত্ব কথা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে ।
গরু নিয়ে অর্থনৈতিক তত্ব তুলেধরার পাশাশাশি পশ্চিম বাংলায় গরুর অবস্থান কি তারও ব্যাক্ষ্যা এদিন দেন দিলীপ ঘোষ । তিনি বলেন ,বাংলায় গরুর প্রতি বিদ্বেষ তৈরি করা হয়েছে। যারা গরু প্রতিপালন করেন তারা নিম্নমানের মানুষ অর যারা গোমাংস খায় তাঁদের উঁচু জাতের মানুষ বলে মনেকরা হয় । কিছু শিক্ষিত ও বুদ্ধিজীবী লোক আবার কলকাতার রাস্তায় দাঁড়িয়ে গরুর মাংস খায় ।ওই গোমাংস ভোগীদের শরীর ভাল রাখার জন্য দিলীপ বাবু কুকুরের মাংস খাবার উপদেশ দেন ।
গাভী কল্যান সমিতির অনুষ্ঠান শেষ করে দিলীপ ঘোষ টাউন হলেই বিজেপির জেলা শিক্ষক সম্মেলনে যোগদেন । শিক্ষক সম্মেলনে তিনি বর্তমান রাজ্য সরকারেরের বিরুদ্ধে শুর চড়ান । দিলীপ বাবু বলেন ,রাজ্য সরকার সবদিকেই ব্যর্থ। এই সরকার শিক্ষকদের প্রাপ্য সন্মান টুকু দেয়না । শিক্ষক মৃত্যু নিয়ে গোঁজামিল তদন্ত হয় । এই সরকারের এবার বিদায় নেবার সময় হয়ে গেছে। এনআরসি প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন ,
আসামে এনআরসি হয়েছে বলে এখানে কেউ কেউ চোখের জলে ভাসছেন। কাশ্মীরে যারা মারা গেছেন তারা ধর্মে মুসলমান হলেও হঠাৎ করে বাঙালি হয়ে গেলেন। অথচ গুজরাটে কেউ মারা গেলে তখন বলা হয় মুসলমান মারা গেছে।দিলীপ বাবুর দাবী এই সব কিছুই রাজনৈতিক দ্বিচারিতা। -
মমতার সরকার বিজেপির পাশাপাশি তৃণমূলের নেতাদেরও ফোন ট্যাপ করে – দাবী করলেন দিলীপ ঘোষ
প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ৪ নভেম্বরবিজেপি ফোন ট্যাপিং করেনা । ফোন ট্যাপিং করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার । এই সরকার শুধু বিজেপি নেতাদেরই ফোন ট্যাপিং করেনা , তৃণমূলের নেতাদেরও ফোন ট্যাপ করে । সোমবার বিকালে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সেহারাবাজার মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় যোগদিয়ে এই অভিযোগ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ । তিনি বলেন , মুকুল রায়ের ফোনও ট্যাপ করা হয়েছে । এইসব ফোন ট্যাপ করতেন পুলিশ কর্তা রাজীব কুমার । তানিয়ে মুকুল বাবু সুপ্রিম কোর্টে মামলাও করেছেন বলে রাজ্য বিজেপি সভাপতি মন্তব্য করেন ।
এদিন ভিড়ে ঠাসা জনসভা মঞ্চে দাঁড়িয়ে দিলীপ ঘোষ তৃণমূল ও পুলিশের বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হন । তিনি বলেন ,তৃনমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত , জেলাপরিষদ সবেতেই সরকারী প্রকল্পের টাকা লুঠ হচ্ছে । সেই টাকা দিদির ভাইদের পেটে যাচ্ছে । বাংলায় মহিলাদের সুরক্ষা নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন । দিলীপ এদিন বাবু দাবী করেন ২০২১ সালেই এই রাজ্যে বিজেপি সরকার গড়বে। ২০২১ সালে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীই বসবেন নবান্নে। দিলীপ ঘোষ হুশিয়ারী দিয়ে বলেন ,যেসব টিএমসি নেতারা গরিব মানুষের টাকা পয়সা ঝেড়ে খেয়েছে তাদের সবাইকে তখন আমরা খেতেও দেবনা ঘুমাতেও দেবনা । ওরা হয় জেলে থাকবে নয়তো বাড়ির বাইরে থাকবে ।সভামঞ্চ থেকে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধেও তোপদাগেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি । তিনি বলেন ,পাঁশকুড়ার বিজেপি নেতা আনিসুর রহমানকে পুলিশ বারে বারে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে গ্রেফতার করছে । আদালতের নির্দেশে ছাড়া পাবার পর আবার তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে । বাড়িতে থাকলেও গ্রেফতার করা হচ্ছে আনিসুরকে । শুনলাম রবিবার ফের পুলিশ আনিসুরকে গ্রেফতার করেছে ।
রাজ্যের সর্বত্র বিজেপি কর্মীদের পুলিশ মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে গ্রেফতার করছে । এই কথা বলেই পুলিশ কে হুঁশিয়ারী দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন ,বিজেপি কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো পুলিশ অফিসারদের নাম আমরা লিখে রাখছি । ওই পুলিশ অফিসাররা রিটায়ার হয়েগেলেও আমরা ছাড়বো না । এখন মামলার খরচ চালানোর জন্য যে টাকা খরচ হচ্ছে বিজেপি কর্মীদের সেই টাকা ওই পুলিশ অফিসারদের পেনশান থেকে কেটে নেওয়া হবে । একই সঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি জানিয়েদেন ,পশ্চিম বাংলাকে বাংলাদেশ বানাতে আমরা দেবনা । এই দেশে থাকা যারা পাকিস্তান পন্থী তাদের জন্য আমরা এনআরসি করবো ।
-
দিদিকে বল কর্মসূচি পালন সেহারা বাজারে ।
প্রদীপ কুমার মন্ডল,সেহারাদিদিকে বল কর্মসূচি পালন করা হল সেহারায়।সেহারাবাজারের কমিউনিটি হলে সেহারা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ টি সংসদ এলাকার মানুষজনেদের একত্রিত করে দিদিকে বল কর্মসূচি পালন করা হল।উপস্থিত ছিলেন রায়না বিধানসভার বিধায়ক নেপাল ঘরুই,জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাদক্ষ উত্তম সেনগুপ্ত,সেহারা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপ প্রধান যথাক্রমে দয়াবতী বাগ ও সনৎ দে।এলাকার মানুষেরা তাদের অসুবিধার কথা উপস্থিত নেতৃত্বর কাছে অভিযোগ করেন।মূলত বেশির ভাগ মানুষেরই এলাকার ড্রেন,বাংলা আবাস যোজনার বাড়ি,বৃদ্ধ ও বিধবা ভাতার কথাই তুলে ধরেন।এলাকার বিভিন্ন অভিযোগের কথা শুনে উপস্থিত নেতৃতরা খাতায় লিপিবদ্ধ করেন এবং সমাধানের আশ্বাস দেন।
এর পর এলাকার ৫ জন বিশিষ্ট নাগরিকদের বাড়িতে গিয়ে ওনাদের কে ফুলের তোড়া ও মিষ্টিমুখ করিয়ে তাঁদের কাছ থেকে এলাকার সমস্যার কথাও শোনেন।এর পর ওনাদের কাছ থেকেই কি করে সমস্যার সমাধান করা যায় সেই বিষয়ে উপদেশ ও নেন।বিধায়ক বলেন আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে বিভিন্ন সংসদে পোঁছে যারা আজকে আসতে পারেননি তাদের বাড়ি যাবো এবং স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে দলীয় পতাকা উত্তোলন করবো এলাকার কর্মীদের নিয়ে।
-
গান্ধী সংকল্প যাত্রা নিয়ে প্রকাশ্যে এল বিজেপির গোষ্ঠীদন্দ । বিজেপি কর্মীরদের হাতে নিগৃহীত হলেন সংবাদিক ।
প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ২০ অক্টোবর’গান্ধী সংকল্প যাত্রা’ কর্মসুচিকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে আসলো বিজেির গোষ্টীদন্দরবিবার পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে ছিল বিজেপির গন্ধী সংকল্পযাত্রা কর্মসূচি। বর্ধমান দুর্গাপুরের বিজেপি সাংসদ সুরিন্দর সিং আহলুওয়ালিয়া , জেলা বিজেপি সভাপতি সন্দীপ নন্দী সহ অন্য নেতারা এদিনের সংকল্প যাত্রা কর্মসূচিতে যোগদেন ।সংকল্পযাত্রা কর্মসূচি শেষ হতে না হতেই এদিন ওড়গ্রাম হাটতলায় ভাতার৩২ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি কৃষ্ণদাস সিংহকে ঘিরে শুরু হয় বিক্ষোভ ।আরও পড়ুন: ধান যাতে নষ্ট না হয় সে কথা মাথায় রেখে ভাতারের চাষিরা নিজেরাই এগিয়ে এলেন ক্যানেল সংস্কারে।
জনবহুল হাটতলায় দাঁড়িয়েই নিজের দলের তরুণ কর্মীর দুর্ব্যবহার ও গালিগালাজ হজম করেন প্রবীন বিজেপি নেতা কৃষ্ণদাস বাবু । এই ঘটনা ক্যামেরা বন্দি করায় বিজেপি কর্মীদের রোষে পড়তে হয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধি আব্বাস আলিকে । তাঁকেও ধরে গালিগালাজ ও শারীরিক ভাবে নিগ্রহ করে বিজেপির ওই সকল তরুণ কর্মীরা । এলাকার লোকজন বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধি আব্বাস আলিকে কোন রকমে উদ্ধার করেন । আব্বাস আলি বলেন , বিজেপি কর্মীরা তাঁকে যে ভাষায় গালিগালাজ তা ভদ্র সমাজে বলার মত নয় ।তিনি জানান ,এলাকার লোকজন তাঁকে উদ্ধার করায় তিনি রেহাই পেয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে , বিজেপি নেতা কৃষ্ণদাস সিংহ শনিবার দলের কর্মী মহলে জানিয়েছিলেন গান্ধী সংকল্প যাত্রায় বেরিয়ে সাংসদ আহলুওয়ালিয়া ওড়গ্রাম হাটতলায়পথসভা করবেন । কিন্তু আহলুওয়ালিয়া জী ওড়গ্রাম হাটতলায় না যাওয়ায় বিরোধ চরমে ওঠে । দলের তরুণ কর্মীরা ওড়গ্রাম হাটতলায় দাঁড়িয়েই বিক্ষোভ দেখানো শুরুকরে কৃষ্ণদাস বাবুকে । রাস্তায় দাড়িয়েই নিজের দলের কর্মীদের গালিগালাজ ও দুর্ব্যবহার হজম করেন কৃষ্ণদাস বাবু । আর গান্ধী সংকল্প যাত্রা নিয়ে একজন প্রবীন নেতার প্রতি বিজেপির তরুণ কর্মীদের এমন দুর্ব্যবহার ক্যামেরাবন্দি করাতেই নিগৃহীত হতে হয় সংবাদিক আব্বাস আলিকে ।প্রবীণ বিজেপি নেতা কৃষ্ণদাস সিংহ নিজের দলের কর্মীদের দ্বারা হেনস্তার স্বীকার হলেও দলের অনুশাসন মেনে তিনি সংবাদ মাধ্যমের কাছে কোন মন্তব্য করতে চাননি । তাঁর বক্তব্য যা জানানোর তা দলের উচ্চ নেতৃত্বকে জানাবেন । ঘটনা বিষয়ে জেলা বিজেপি সভাপতি সন্দীপ নন্দী বলেন , “ ওড়গ্রাভ হাটতলায় কি ঘটেছে সেবিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানবো । সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনা বিষয়ে সন্দীপ বাবু বলেন , এর জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী । যারা সাংবাদিককে নিগ্রহ করেছে তাদের চিহ্নিত করে দলীয় ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে -
দিদিকে বলো কর্মসূচিতে যোগদিতে যাবার সময়ে বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু তৃণমূল কর্মীর
প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় বর্ধমান ১৭ অক্টোবরদিদিকে বলো কর্মসূচিতে যোগদিতে যাবার পথে মোটরবাইকের ধাক্কায মৃত্যু হল এক তৃণমূল কর্মীর । দুর্ঘটনায় মোটরবাইকের দুই আরোহীও জখম হয়েছেন । বৃহস্পতিবার দুপুরে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে । পুলিশ জানিয়েছে মৃত ব্যক্তির নাম মৃত্যুন রায় (৫৯)। তার বাড়ি খণ্ডঘোষের বেরুগ্রাম পঞ্চায়েতের কালনা গ্রামে । জখম দুই বাইক আরোহী খোকন রায় ও বিমল বাগকে চিখিৎসার জন্য খণ্ডঘোষ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে । দলের একনিষ্ঠ কর্মীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে খণ্ডঘোষের তৃণমূল শিবিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে । পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ।
খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূল সভাপতি অপার্থিব ইসলাম জানিয়েছেন , এদিন বিকালে খণ্ডঘোষের বোঁয়াইচণ্ডী গ্রামে দিদিকে বলো কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল ।সেই কর্মসূচিতে যোগ দেবার জন্য দলের একনিষ্ঠ কর্মী মৃত্যুন রায় এদিন দুপুরে সাইকেলে চেপে কালনা গ্রামের বাড়িথেকে জন্য রওনা হন ।
বোঁয়াই উখরিদ রোড ধরে তিন আসছিলেন । ।ওই সময়ে দুই মদ্যপ বাইক আরোহী তাঁকে সজোরে ধাক্কা মারে । গুরুতর জখম অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন মৃত্যুন রায় । উল্টোদিকে ছিটকে পড়ে দুই বাইক আরোহী খোকন রায় ও তাঁর আত্মীয় বিমল বাগ । পুলিশ ও স্থানীয় মানুষজন তিনজনকে উদ্ধার করে খণ্ডঘোষ হাসপাতালে নিয়েযায় । সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যুন রায়কে মৃত ঘোষনা করেন । অপার্থিব ইসলাম বলেন , দুই বাইক আরোহী বোঁয়াইচণ্ডী এলাকারই বাসিন্দা বলে পুলিশ জানতে পেরেছে । বাইকে সওয়ার থাকা দুজনেই আকণ্ঠ মদ্যপান করেছিল । নেশাগ্রস্থ অবস্থায় বেপরোয়া ভাবে বাইক চালিয়ে যাবার সময়ে তারা মৃত্যুন রায়কে ধাক্কা । তার জেরেই মৃত্যুন রায়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হয় । পুলিশ বাইক আটক করেছে দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে
। -
তৃণমূল নেতা খুনের প্রতিবাদে ধিক্কার মিছিল করলো ন্যাশনাল ঠিকা শ্রমিক ইউনিয়ন।
গত নবমীর রাতে পাঁশকুড়া মাইসরা নিজের পার্টি অফিসে খুন হন পাঁশকুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি কুরবান শা।
ইতিমধ্যে একজন কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পরিবহন ও জল সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কুরবান শা পরিবারকে আশ্বস্ত করেছে। কিন্তু 10 দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত খুনের কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। মৃত তৃণমূল নেতা স্ত্রী তথা মাইসোর অঞ্চলের প্রধান সাবেনা বানু খাতুন অভিযোগ করেন বিজেপি নেতা আনিসুর রহমান ও ভারতী ঘোষের খুন করিয়েছে।ইতিমধ্যে কলকাতা ফরেনসিক দল মাইসোর পার্টি অফিসে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছে। আজ কোলাঘাট থানার মেছেদা একটি ধিক্কার মিছিল বের করেন কোলাঘাট থার্মাল পাওয়ার স্টেশন ন্যাশানলিস্ট ঠিকা শ্রমিক ইউনিয়ন পক্ষ থেকে শহীদ মাতঙ্গিনী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিবাকর জানা ও শান্তিপুর এক নম্বর অঞ্চলের প্রধান ও কোলাঘাট থার্মাল পাওয়ার স্টেশন ন্যাশনাল ঠিকাদার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম আলী নেতৃত্বে ধিক্কার মিছিল বের হয়। এই মিছিলের কয়েকশো ঠিকা শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মী-সমর্থকেরা যোগ দেন।



















