অবশেষে নতুন সভাপতি পেল বিসিসিআই। সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাজীব শুক্লর নাম ঘোষণা করা হয়েছে বোর্ড প্রেসিডেন্ট পদে। চলতি বছরের জুলাইয়ে রজার বিনির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। কারণ তাঁর বয়স ৭০ বছরে পৌঁছে গিয়েছে। লোধা কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী ৭০ বছর পূর্ণ হলে আর কেউ বোর্ডের প্রশাসনিক পদে থাকতে পারেন না।
আগে থেকেই পরিষ্কার ছিল যে, বিনির মেয়াদ শেষে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেবেন রাজীব। সূত্রের খবর, বুধবার বিসিসিআইয়ের অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠকের পরই আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্বর্তী বোর্ড প্রেসিডেন্ট হিসেবে রাজীব শুক্লর নাম ঘোষণা করা হয়। বোর্ডের নিয়ম অনুসারে সেপ্টেম্বর মাসে সাধারণত নির্বাচন হয়। তবে নতুন ক্রীড়া আইন কার্যকর হওয়ায় এবার কবে নির্বাচন হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আপাতত নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব সামলাবেন রাজীবই।

যদিও ক্রীড়া বিল আইনে রূপান্তরিত হলেও নিয়মকানুন এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ক্রীড়ামন্ত্রকের এক সূত্রে জানা গিয়েছে, সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চায় মন্ত্রক। তারা চাইছে, ওই সময়ের মধ্যেই নিয়ম নির্ধারিত হলে ক্রীড়া আইন মেনে নির্বাচন করা হোক। তবে তা সম্ভব না হলে আপাতত লোধা আইনের ভিত্তিতেই ভোট হতে পারে। কিন্তু ক্রীড়া আইনের খসড়া পাকা হলে তখন আবারও নির্বাচন করতে হবে। সেই কারণেই অনেকেই মনে করছেন বোর্ডের ভোট পিছিয়ে যেতে পারে, যেহেতু নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ তিন মাস নির্বাচন পিছনো যায়।
এদিকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হয়েই বেশ কয়েকটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে চলেছেন রাজীব। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় বিষয় জাতীয় দলের স্পনসর। ‘বেআইনি’ ঘোষিত হওয়ার পর মূল স্পনসরের আসন ছাড়তে বাধ্য হয়েছে ড্রিম ১১। এশিয়া কাপের আগে নতুন স্পনসর পাওয়া যাবে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। তবে বোর্ড সূত্রে খবর, শুধু এশিয়া কাপের জন্য তড়িঘড়ি করে স্বল্পমেয়াদী স্পনসরশিপে রাজি নয় বোর্ড। বরং আগামী আড়াই বছরের জন্য দীর্ঘমেয়াদি স্পনসরের সন্ধান করছে বিসিসিআই।