নন্দীগ্রামে মমতাকে দূরমুজ করার পরে এবার রেজিনগরের দিকে দৃষ্টি। সেখান থেকে ভেঙে দিতে হবে হুমায়ূনের কোমর। সংকট তৈরী হয়েছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতীক নিয়ে। রেজিনগর উপনির্বাচনে বাবার জেতা ‘বাঁশি’ চিহ্নে দাঁড়িয়েছেন হুমায়ুন পুত্র গোলাম নবী আজাদ রবিন। কিন্তু একই চিহ্নে তিনি ভোটে লড়তে পারবেন? তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের খাতায় ‘বাঁশি’ একটি ‘ফ্রি সিম্বল’।

কেবল তামিলনাড়ুতে একটি নির্দিষ্ট দলের জন্য এটি সংরক্ষিত। তাই রেজিনগর উপনির্বাচন ঘোষণার পরই আম জনতা উন্নয়ন পার্টির তরফে কমিশনে চিঠি দিয়ে ‘বাঁশি’ চিহ্ন সংরক্ষণের আবেদন জানানো হয়। তবে শুক্রবার কমিশনের তরফে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, উপনির্বাচনের জন্য আগে থেকে প্রতীক বণ্টন বা সংরক্ষণ হয় না। ফলে হুমায়ুন পুত্র বাঁশি পাবেনই, এমন নিশ্চয়তা নেই। আগামিকাল শনিবারের বিকেলের মধ্যে চূড়ান্ত হবে তিনি কোন প্রতীকে লড়বেন।
এই জটিলতায় চিন্তা বাড়ছে রবিন শিবিরে। কারণ ভোটের হাতে আর মাত্র কয়েকদিন। এতদিন বাবার ‘বাঁশি’ চিহ্নই এলাকায় পরিচিত। এখন হঠাৎ প্রতীক বদল হলে নতুন প্রতীক ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হবে। এই প্রসঙ্গে গোলাম নবী আজাদ রবিন বলেন, “বাঁশি একটি ফ্রি সিম্বল। তামিলনাড়ু ছাড়া কোথাও কারও জন্য সংরক্ষিত নয়। আমি সবার আগে মনোনয়ন জমা করেছি বাঁশি চিহ্নে। তাই কমিশন আমাকে এই প্রতীক দিতে বাধ্য। আমার বাবা এই চিহ্নেই জিতেছেন, তাই যুক্তিগ্রাহ্যভাবেই আমিই এর দাবিদার।” তিনি আরও বলেন, “যাতে অন্য কোনও দল আগে থেকে বাঁশি দাবি না করে ফেলে, তাই আগেই চিঠি দিয়ে রেখেছি। ভোট ঘোষণার পর হঠাৎ প্রতীক ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। আমরা বিষয়টির উপর নজর রাখছি।”








