আবহাওয়া দক্ষিণবঙ্গ শিক্ষা লাইফ স্টাইল স্বাস্থ্য ভ্রমন ধর্ম কৃষি কাজ ক্রাইম

সাগরের ঘোড়ামারা দ্বীপকে বাঁচাতে একাধিক পদক্ষেপ ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের

krishna Saha

Published :

WhatsApp Channel Join Now

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়,সুন্দরবন : রাজ্যের সবচেয়ে ছোটো দ্বীপ ও ছোটো পঞ্চায়েত হলো সাগরের ঘোড়ামারা দ্বীপ। আর এবার জরুরি ভিত্তিতে ঘোড়ামারা দ্বীপকে বাঁচানোর নির্দেশ দিল ন্যাশানাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল।এই দ্বীপের ভাঙন প্রতিরোধ এবংম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সংরক্ষণের জন্য উচ্চ পর্যায়ের যৌথ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী তিন মাসের মধ্যে একটি রিপোর্ট প্রস্তুত করবে এই কমিটি।ঘোড়ামারা দ্বীপের ভাঙনের কারণ হিসাবে উঠে এসেছে, এলাকাটি বেঙ্গল বেসিনের দক্ষিণ-পূর্ব দিকেহেলে থাকার কথা।

এখানকার ভূবৈশিষ্ট্য বিশেষ ধরনের। এছাড়াও রয়েছে বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রসঙ্গ। ঘূর্ণিঝড় ও সমুদ্রের জলের স্তর বৃদ্ধির প্রসঙ্গও।এই কমিটি গঠিত হবে কেন্দ্রীয় বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের ভুবনেশ্বর আঞ্চলিক অফিসের ডিজি (ফরেস্ট) এবং রাজ্যের সিসিএফকে নিয়ে।দ্বীপের ভাঙন প্রতিরোধ এবংম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রক্ষা ও সম্প্রসারণ কীভাবে সম্ভব সেগুলি এর মধ্যে দিয়ে পর্যালোচনা করা হবে।কোন সংস্থাকে দিয়ে এবং মোটামুটি কত টাকায় ও কতদিনে কাজটি করা যাবে তা কমিটিকে জানাতে হবে।

জানা গিয়েছে, এখনই যদি ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে ২০৪২ সালের মধ্যে দ্বীপটি নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে। এমনিতেই ভাঙনের জেরে দ্বীপের অবস্থা সঙ্গীন। ১৯৬৯ সালে এই দ্বীপের আয়তন ছিল ৮.৫৯ বর্গ কিমি। ২০১৯ সালে সেই আয়তন কমে হয়েছে ৩.৮৩ বর্গ কিমি।ফলে বিষয়টি ভাবাচ্ছে সকলকে।আর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে সাগরের বিধায়ক তথা রাজ্যের সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম চন্দ্র হাজরা বলেন, কাজটা ঠিকমতো হলে উপকারই হবে। ঘোড়ামাড়া-সহ গোটা সুন্দরবনে স্থায়ী কংক্রিট বাঁধ নির্মাণ করতে পারলেই ভাঙন আটকানো যাবে।বাঁচানো যাবে ঘোড়ামারা কে। ঘোড়ামারা পঞ্চায়েত প্রধান আম্বিয়া খাতুন বিবি বলেন, ঘোড়ামারা দ্বীপকে বাঁচানোর এই উদ্যোগ সফল হলে খুব ভালো হয়।

See also  সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা জাগাতে আবারো রাস্তায় নামল মাধবডিহি থানার পুলিশ

krishna Saha

আমার নাম কৃষ্ণ কুমার সাহা, আমি ফুল টাইম সাংবাদিকতা করি।গত ৮ বছর ধরে এই পেশায় আছি